1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার কম্বোডিয়ায় স্বপ্নের সমাধি: বৃহস্পতিবার ফিরছে ৪ প্রবাসীর নিথর দেহ

সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে অনুমোদন দিলেন ট্রাম্প

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এক দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রায় ৩০ বছর মেয়াদি এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের পারমাণবিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের পারমাণবিক ভূ-রাজনীতি এবং ওয়াশিংটন-রিয়াদ সম্পর্কে বড় ধরনের কৌশলগত পরিবর্তন আসতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রায় কয়েক বিলিয়ন ডলার। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো রিয়াদের উদীয়মান পারমাণবিক খাতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর একচ্ছত্র উপস্থিতি ও কেন্দ্রীয় ভূমিকা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে এই খাতে রাশিয়া ও চীনের মতো বিশ্বশক্তি এবং অন্যান্য বিদেশি প্রতিযোগীদের প্রবেশ সীমিত করা ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান কৌশল।

দ্বিপক্ষীয় এই চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ কারিগরি ও অর্থনৈতিক মূল্যায়নে যদি প্রয়োজনীয়তা প্রমাণিত হয়, তবে সৌদি ভূখণ্ডে একটি উন্নত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র স্থাপন করবে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে কর্মসূচির বেসামরিক চরিত্র বজায় রাখতে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা রোধে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। চুক্তির আওতায় পারমাণবিক কর্মসূচির সার্বিক তদারকি ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকবে, যা এই প্রযুক্তিকে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখবে বলে মার্কিন প্রশাসনের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে।

তবে প্রশাসনিক অনুমোদন পেলেও চুক্তি কার্যকর হওয়ার পথে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে মার্কিন আইনসভা। চুক্তিটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার জন্য মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপন করার কথা রয়েছে। সেখানে এটি তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ উত্তেজনার পটভূমিতে সৌদি আরবের মতো একটি দেশকে পারমাণবিক প্রযুক্তি প্রদান ও সমৃদ্ধকরণের সুযোগ দেওয়া নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলেরই অনেক আইনপ্রণেতা দীর্ঘদিন ধরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন।

কংগ্রেসের অনুমোদন লাভ করলে এটি হবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম পারমাণবিক প্রযুক্তি সহযোগিতা প্রকল্প। তবে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের ভেটো বা অতিরিক্ত শর্ত আরোপের চেষ্টা এই চুক্তির চূড়ান্ত বাস্তবায়নকে বিলম্বিত বা জটিল করে তুলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026