1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এনসিটি পরিচালনায় বিদেশিরা: বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী

সেনাবাহিনীতে পদোন্নতিতে পেশাগত দক্ষতা ও সততাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সামরিক বাহিনীতে পদোন্নতিকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে যোগ্য কর্মকর্তাদের মূল্যায়নে পেশাগত সক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্যকে মূল মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সেনাবাহিনীতে উচ্চতর পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ কিংবা রাজনৈতিক বিবেচনার সুযোগ নেই। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে উপযুক্ত কর্মকর্তাদের নেতৃত্বের পদে নিয়ে আসাই দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রধান উপায়।

রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে সেনাবাহিনী সদর দফতরে আয়োজিত ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সেনাসদরের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও পেশাদার সামরিক বাহিনী গঠনে পদোন্নতি পর্ষদের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের অতীত কর্মকাণ্ড, পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলাবোধ এবং কমান্ড পরিচালনার যোগ্যতার সঠিক প্রতিফলন ঘটতে হবে। পেশাগত মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে বাহিনীতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয় এবং সামরিক অফিসারদের কাজের প্রতি উদ্দীপনা ও আস্থা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির স্থান থাকা উচিত নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে আসছে। কেবল দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও স্বাধীনতা রক্ষাতেই নয়, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা সর্বজনবিদিত। রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও জোয়ানদের নিরলস প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। দেশের সেবায় সেনাসদস্যদের এই গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা অব্যাহত রাখার জন্য সেনাপ্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সব স্তরের সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে সেনাসদরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সেনাবাহিনী প্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। পরে উদ্বোধনী পর্বের আলোচনা সভায় সেনাবাহিনী প্রধান তাঁর বক্তব্যে ব্যস্ততার মধ্যেও পদোন্নতি পর্ষদের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সেনাপ্রধান তাঁর বক্তব্যে নিশ্চিত করেন যে, পদোন্নতি পর্ষদের সকল কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা, সততা এবং কঠোর নিয়মানুবর্তিতার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে, যাতে কেবল সর্বাধিক যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তারাই পরবর্তী নেতৃত্বে উন্নীত হওয়ার সুযোগ পান।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ দেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাগত মানদণ্ড বজায় রাখার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। সেনাবাহিনীতে নীতি ও নিয়মানুগ প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর শৃঙ্খলা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হলে পেশাগত যোগ্যতা অর্জন এবং দেশসেবায় আত্মনিয়োগের সংস্কৃতি সামরিক বাহিনীর সর্বস্তরে সুসংহত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েক দিন ধরে চলতে থাকা সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের এই সভায় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদমর্যাদার যোগ্য কর্মকর্তাদের নথিপত্র এবং কাজের বিবরণী বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে। মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সুপারিশ চূড়ান্ত করে অনুমোদনের জন্য সরকারের কাছে পাঠানো হবে। এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বাহিনীতে নতুন নেতৃত্বের সঞ্চার ঘটবে যা প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026