1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গ্রিস-বাংলাদেশ শ্রমচুক্তি বাস্তবায়নের তাগিদ রাষ্ট্রদূত সুমনার গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার

সৌদি-ইরান উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের নেপথ্য মধ্যস্থতার দাবি

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৩ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনা হ্রাস এবং সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির নেপথ্যে কূটনৈতিক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছেন বলে আন্তর্জাতিক একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিরাজমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সংঘাতের প্রাথমিক পর্যায়ে সৌদি আরবকে সম্ভাব্য হামলা থেকে রক্ষায় এই মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আঞ্চলিক কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা সূত্র থেকে জানা যায়, চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষভাগে পাকিস্তান ও ইরানের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে এই সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সামরিক উত্তেজনার পারদ বৃদ্ধি পায়। মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ ইরানের সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিতে পড়লেও কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে সৌদি আরব প্রত্যক্ষ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হওয়া থেকে নিরাপদ থাকে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় একটি কৌশলগত যোগাযোগ মাধ্যমকে কেন্দ্র করে এই কূটনৈতিক উদ্যোগ পরিচালিত হয়। বিশেষ করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) জ্যেষ্ঠ নেতৃত্ব এবং পাকিস্তানের সামরিক সদর দপ্তরের মধ্যে বিদ্যমান সমন্বয়কে কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা চালানো হয়। বাণিজ্যিক ও সীমান্ত নিরাপত্তার নানা ইস্যুতে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগের পথ খোলা থাকায় এই মধ্যস্থতা কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

উত্তেজনা প্রশমনের পর দীর্ঘ সময় আঞ্চলিক পরিবেশ তুলনামূলক শান্ত থাকলেও সম্প্রতি তেহরানের পক্ষ থেকে একটি বিচ্ছিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনার পর পুনরায় কূটনৈতিক বার্তা আদান-প্রদান হয়। সূত্রমতে, যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক উসকানি দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা সহযোগিতাকে ব্যাহত করতে পারে—এমন বার্তা পৌঁছানোর পর রিয়াদকে লক্ষ্য করে নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই গোপন মধ্যস্থতার মাধ্যমে পাকিস্তান কেবল মধ্যপ্রাচ্যের দুটি প্রভাবশালী মুসলিম দেশের মধ্যকার ভারসাম্য বজায় রাখেনি, বরং সৌদি আরবের কাছে নিজেদের প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত গুরুত্ব পুনর্প্রতিষ্ঠা করেছে। ঐতিহাসিকভাবে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তাসংক্রান্ত অংশীদারত্ব রয়েছে। রিয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সক্রিয় ভূমিকা রেখে ইসলামাবাদ ভবিষ্যতে অর্থ ও জ্বালানি খাতে সৌদি আরবের কাছ থেকে বড় ধরনের কৌশলগত সুবিধা পাওয়ার পথ সুগম করছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতার মধ্যে পাকিস্তানের এই মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা বৈশ্বিক রাজনীতিতেও নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ইসলামিক দেশগুলোর মধ্যে যেকোনো বড় ধরনের সংঘাত এড়ানো কেবল আঞ্চলিক অর্থনীতিকেই সুরক্ষিত করবে না, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতার জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026