1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত

বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি ও পদায়নে তিন স্তরের কমিটি গঠন করে নতুন নীতিমালা জারি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া সহজ, স্বচ্ছ এবং দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নতুন একটি নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ‘বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ শীর্ষক এই নির্দেশনার মাধ্যমে কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা ও কর্মস্থল ভেদে বদলি ও পদায়নের আবেদন নিষ্পত্তিতে তিন স্তরের পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ তাদের ওয়েবসাইটে এই নীতিমালার বিস্তারিত প্রকাশ করে। নতুন এই আদেশ জারির পর থেকে শিক্ষা ক্যাডারের বদলি ও পদায়নের বিষয়ে পূর্বে বলবৎ থাকা নীতিমালা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল গণ্য হবে।

ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম স্তরে সরকারি কলেজের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের বিষয়গুলো আঞ্চলিক পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হবে। সংশ্লিষ্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চলের পরিচালকের সভাপতিত্বে চার সদস্যের গঠিত একটি কমিটি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থা ব্যতিরেকে নিজস্ব অঞ্চলের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে বদলির আদেশ জারি করবে। এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (কলেজ)।

দ্বিতীয় স্তরে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে গঠিত কমিটি বদলির কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই কমিটি ঢাকা মহানগরী এলাকা এবং অন্যান্য অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রশাসনিক পদ ব্যতীত সহযোগী অধ্যাপক পর্যায়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আবেদন প্রক্রিয়া বিবেচনা করবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আদেশ জারি করবে।

সবশেষ এবং উচ্চপর্যায়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বা সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে গঠিত কমিটি নীতিনির্ধারণী ও গুরুত্বপূর্ণ পদায়নের ক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করবে। সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যাপক, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদসহ বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার সকল পদে বদলি ও পদায়নের আবেদন যাচাই-বাছাইপূর্বক চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদানের এখতিয়ার থাকবে এই উচ্চপর্যায়ের কমিটির হাতে।

নীতিমালায় কিছু নির্দিষ্ট শর্ত ও বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। নবনিযুক্ত প্রভাষকসহ প্রতিটি পদের কর্মকর্তা বা শিক্ষকের জন্য বর্তমান কর্মস্থলে ন্যূনতম দুই বছরের সময়সীমা অতিক্রম করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে যৌক্তিক কারণে শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা অথবা গুরুতর পারিবারিক সংকটের মতো জরুরি ক্ষেত্রে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই বদলির বিবেচনার বিশেষ ক্ষমতা সরকারের কাছে সংরক্ষিত থাকবে।

নীতিমালায় মানবিক ও বৈবাহিক বিষয়াদিও গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই চাকরিজীবী হলে একে অপরের কর্মস্থল বা নিকটবর্তী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের সুযোগ প্রদান করা হবে। এ ছাড়া কর্মকর্তা অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (পিআরএল) গমনের এক বছর আগে পদ খালি থাকা সাপেক্ষে পছন্দের স্থানে অগ্রাধিকারমূলক পদায়ন পাবেন। দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত কর্মকর্তা, পারিবারিক সংকট এবং নিজ জেলা থেকে দূরত্বের মতো বিষয়গুলোও বদলি বিবেচনায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

তবে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণে নীতিমালায় কড়া শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। পার্সোনাল ডাটা শীট (পিডিএস) হালনাগাদ না থাকলে, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান না করে অসম্পূর্ণ আবেদন করলে অথবা কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা বা তদন্তাধীন অভিযোগ থাকলে তাঁর বদলির আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে। সেই সঙ্গে বদলির আবেদনের জন্য বিগত টানা তিন বছরের বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) সন্তোষজনক হওয়া বাধ্যতামূলক ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক দীর্ঘদিনের শূন্যতা হ্রাস, অভ্যন্তরীণ তদারকি জোরদার করা এবং ক্যাডার প্রশাসনে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনাই এই নীতিমালার প্রধান লক্ষ্য বলে জানা গেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026