1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত ডিআরএমসি আন্তর্জাতিক টেক কার্নিভালের উদ্বোধন ‎সুন্দরবন থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার সড়কে মাফিয়াতন্ত্র ও চাঁদাবাজির অবসান ঘটাতে হবে: রিজভী

থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের নিবন্ধনে জাতীয় ডেটাবেজ তৈরির প্রস্তাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

দেশে থ্যালাসেমিয়া ও বিভিন্ন জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্ত রোগীদের সুনির্দিষ্ট তথ্য সংরক্ষণে একটি সার্বজনীন জাতীয় ডেটাবেজ বা রেজিস্ট্রি তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত এ রোগের বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি এবং নতুন স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘রক্তদাতা সম্মাননা ২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এ তাগিদ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির (বিটিএস) উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য বংশগত বিরল রোগে আক্রান্ত মানুষের সঠিক সংখ্যা এবং অবস্থান নির্ধারণে দেশজুড়ে একটি কেন্দ্রীয় রেজিস্ট্রি ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, রোগীদের শতভাগ সুস্থ করে তোলা সম্ভব না হলেও সঠিক চিকিৎসাসেবা ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রা সহজ করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বক্তারা থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে জানান, রোগটি বংশগত হলেও সচেতনতা এবং সঠিক স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে এটি প্রতিরোধযোগ্য। গর্ভাবস্থায় কিংবা যেকোনো বয়সে সাধারণ রক্তের পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া বাহক শনাক্ত করা সম্ভব। এই সুবিধা কেবল শহরকেন্দ্রিক না রেখে জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত প্রসারিত করার আহ্বান জানান তারা। এছাড়া ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যখাতে নতুন কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের পাঠ্যক্রম ও প্রশিক্ষণে থ্যালাসেমিয়ার উপসর্গ, প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও রোগ ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্তি করার প্রস্তাব করা হয়।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, থ্যালাসেমিয়া শনাক্তকরণের পর রোগীদের শারীরিক জটিলতা ও ধরণ অনুযায়ী থ্যালাসেমিয়া মেজর, থ্যালাসেমিয়া মাইনর এবং থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট—এই তিন ভাগে ভাগ করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা উচিত। এতে রোগী ও তাদের অভিভাবকেরা সঠিক দিকনির্দেশনা পান।

অনুষ্ঠানে দেশজুড়ে রক্তসংকট নিরসনে নিয়মিত রক্তদানকারী স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের অসামান্য অবদানের প্রশংসা করা হয় এবং সম্মানিত করা হয়। একই সঙ্গে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জীবন রক্ষায় রক্তের যে নিরবচ্ছিন্ন চাহিদা রয়েছে, তা পূরণে তরুণ সমাজকে আরও বেশি মাত্রায় স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এতে বক্তব্য রাখেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026