1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যাংক বন্ধ নয়, সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চলছে: বাংলাদেশ ব্যাংক শিক্ষকতা কখনই উপায়হীন বিকল্প হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

চলমান রাজনীতি ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিষয়াবলি এবং শূন্য থাকা রাষ্ট্রপতির পদ পূরণসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বৈঠকে বসছেন ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতারা। শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই নীতি-নির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জাতীয় নির্বাচন ও সরকার গঠনের পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষিত এবং সরকারের নীতিগত কৌশল নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

বৈঠক আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, এটি নীতিগত ও রাজনৈতিক পর্যালোচনার জন্য ডাকা দলের নিয়মিত ফোরামের বৈঠক। বৈঠকে মূলত দেশের চলমান সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সার্বিক মূল্যায়ন করা হবে। বিশেষ করে সামপ্রতিক সময়ে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্যের প্রভাব এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনার এজেন্ডা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির পদের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে দল বা সরকারের সম্ভাব্য প্রার্থী সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে কোন বিষয়টি কীভাবে কতটুকু গুরুত্ব পাবে, তা আলোচনার পূর্বেই নির্দিষ্ট করে বলার সুযোগ নেই। আনুষ্ঠানিক আলোচনার মধ্য দিয়েই দলীয় সিদ্ধান্ত ও অবস্থান স্পষ্ট করা হবে।

একই বিষয়ে আলোকপাত করে স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান জানান, দেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ বর্তমানে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তথা স্থায়ী কমিটিতে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রপ্রধান কে হতে পারেন—সে বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনা হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শূন্য পদের বিপরীতে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসেবে কাকে মনোনীত করা হতে পারে, সে সিদ্ধান্ত একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসবে। এই প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত আগাম কোনো মন্তব্য করা কিংবা সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম প্রকাশ করার সুযোগ নেই।

রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সূত্রে জানা যায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর দেশের শীর্ষ সাংবিধানিক এই পদটি শূন্য হয়। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে বর্তমানে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধানের নির্ধারিত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির আসন শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক যোগাযোগ ও প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে এবং নির্বাচন আয়োজনের সুবিধার্থে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের নিকট সংসদ সদস্যদের হালনাগাদ ভোটার তালিকা চাওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি সরকার গঠনের পর শূন্য হওয়া রাষ্ট্রপতি পদে কাকে মনোনীত করা হবে, তা নিয়ে নীতি-নির্ধারণী মহলে বিস্তৃত আলোচনা চলছে। রাষ্ট্রপ্রধানের এই পদে অভিজ্ঞ, নীতিবান এবং সর্বজনশ্রদ্ধেয় কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে নিয়ে আসার বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে মতবিনিময় হচ্ছে। স্থায়ী কমিটির এই বৈঠকে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, আসন্ন সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা এবং নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কৌশলগত সময়সীমা নির্ধারণ প্রাধান্য পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পাশাপাশি, বৈঠকে জাতীয় অর্থনীতির সার্বিক গতিশীলতা ধরে রাখতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ লাঘবে সরকারের গৃহীত কার্যক্রমের কার্যকারিতা নিয়ে স্থায়ী কমিটি মতামত দেবে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য তফসিল বা পদক্ষেপ ঘোষণার আগে স্থায়ী কমিটির এই বৈঠক দলীয় নীতি ও কৌশল নির্ধারণে একটি প্রধান স্তম্ভ হিসেবে ভূমিকা রাখবে। সান্ধ্যকালীন এই বৈঠকের আলোচনার মাধ্যমেই পরবর্তী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026