1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যাংক বন্ধ নয়, সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চলছে: বাংলাদেশ ব্যাংক শিক্ষকতা কখনই উপায়হীন বিকল্প হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

পলাতক শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে ভারতের দ্বিমুখী আচরণের অভিযোগ রিজভীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অডিও বার্তা ও নানা রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে ভারত সরকারের অবস্থানকে ‘দ্বিমুখী আচরণ’ এবং ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি অভিযোগ করেন, ভারত গণতন্ত্রের কথা বললেও বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া একজন চিহ্নিত আসামিকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দিচ্ছে, যা একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের আচরণের পরিপন্থী।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত গ্যালারি হামিদুজ্জামান ও বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের চিত্র তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে রুহুল কবির রিজভী ভারত সরকারের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, সম্প্রতি ভারত থেকে গণমাধ্যমে খবর এসেছে যে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রদানের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের করার কিছু নেই। অথচ বিগত সময়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী যখন ভারতে অবস্থানকালে প্রেস ব্রিফিং করতে চেয়েছিলেন, তখন ভারত সরকার তাকে সেই অনুমতি দেয়নি। কিন্তু আজ শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে সেই একই নীতি অনুসরণ না করে ভারত ‘মায়াকান্না’ করছে, যা তাদের স্পষ্ট দ্বিমুখী নীতিকে প্রস্ফুটিত করে।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, অন্য কোনো দেশের দাগি কিংবা পলাতক আসামি যদি ভারতের পছন্দের পাত্র হয়, তবে তার সব অপরাধ ও অপকর্ম অগ্রাহ্য করার প্রবণতা দেখা যায় নয়াদিল্লির নীতিতে। ভারত যদি সত্যিই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হয়, তবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অন্য একটি দেশের জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যার অভিযোগ অভিযুক্ত সাবেক প্রধানকে কীভাবে তাদের দেশে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন আয়োজনে অডিও বার্তা প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছে।

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও শেখ হাসিনার শাসনকালের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, রাজনীতিতে চোরাপথে ক্ষমতায় এসে একটি ফ্যাসিবাদী সরকার দীর্ঘদিন দেশ শাসন করেছে। নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে গিয়ে ছাত্র-জনতা, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেনিপেশার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। তাদের এই নির্মম নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা ও ক্ষোভ থেকেই ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের মতো বিশাল সামাজিক ও রাজনৈতিক জাগরণ ঘটেছিল। জনগণের এই অভ্যুত্থানের মুখেই তাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, শেখ হাসিনার শাসনকালে দেশপ্রেমের তীব্র অভাব ছিল এবং তিনি ব্যক্তিস্বার্থ ও রাজনৈতিক সুবিধা রক্ষায় বিদেশি শক্তির ওপর বেশি নির্ভরশীল ছিলেন। অডিও বার্তার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্ত চলছে উল্লেখ করে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারাও অভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সঠিক চিত্র তুলে ধরার গুরুত্ব তুলে ধরেন। আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে দেশের বিভিন্ন সারির গণমাধ্যমকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026