1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মেসির বিদায়ী পোস্টের কমেন্টে যা লিখলেন রোনালদো দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বাধা দূর করতে আলোচনায় বসছে ঢাকা-দিল্লি ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে উন্নতি কেবল পর্তুগালেরই আন্তর্জাতিক বিরতি: মেসির বিদায়, রোনালদোর নির্বাসন থেকে বাংলাদেশের দুর্দশা বাংলাদেশের অটোমোবাইল শিল্পে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল টয়োটা সুপ্রিম কোর্টে রাতে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় নারীসহ ৩ বিদেশির মৃত্যু, আহত ৩৬ নড়িয়ার ওসিকে হুমকির অভিযোগ, বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার বগা আমার গাড়িতে উঠেছে প্রমাণ করুন, রাজনীতি ছেড়ে দেব: মেয়র শাহাদাত

নদী ও খালপাড়ে ভাঙন রোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৪ বার দেখা হয়েছে
বাংলাদেশ ডেস্ক
নদী ও খালের তীর রক্ষা, উপকূলীয় বাঁধ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামো সুরক্ষায় কংক্রিটের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাস ব্যবহারের বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব এবং বরেণ্য শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় দেশের নদী ও খালের ভাঙন রোধ, উপকূলীয় বাঁধ সংরক্ষণ, চরাঞ্চল ও হাওরের সড়ক এবং সড়ক ও রেললাইনের পাশে কংক্রিটের ব্লক ও জিও ব্লকের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বিন্না ঘাস ব্যবহারের ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপ-উপাচার্য এবং পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বৈঠকে এ বিষয়ে একটি কারিগরি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।
উপস্থাপনায় জানানো হয়, নদী ও খালের পাড়ের ক্ষয়রোধে বিন্না ঘাস একটি অত্যন্ত কার্যকর, সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান হতে পারে। এই ঘাসের গভীর ও জালের মতো বিস্তৃত শেকড় মাটি কামড়ে ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে, যা ভাঙনপ্রবণ এলাকায় মাটির স্থায়িত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এর আগে দেশের কয়েকটি নির্বাচিত অঞ্চলে পরীক্ষামূলকভাবে এই ঘাসের ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষাগুলোতে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহত্তর পরিসরে প্রকল্প আকারে এটি বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে এ ধরনের উদ্ভাবনী এবং প্রকৃতির কাছাকাছি বিকল্প উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি নদীভাঙন রোধ এবং অবকাঠামোগত সুরক্ষায় কম খরচে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পেতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাকে সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন। বিশেষ করে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়কে যৌথভাবে এ বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের তাগিদ দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের নদীমাতৃক অঞ্চলে ভাঙনের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। ঐতিহ্যগতভাবে ভাঙন রোধে কংক্রিট ব্লক বা জিও ব্যাগ ব্যবহার করা হলেও তা ব্যয়বহুল এবং অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এর বিপরীতে বিন্না ঘাসের মতো উদ্ভিদভিত্তিক টেকসই সমাধান বাস্তবায়ন করা গেলে একদিকে যেমন রাষ্ট্রীয় অর্থের সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষিত থাকবে। এছাড়া উপকূলীয় ও হাওর অঞ্চলের সড়কগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আরও বেশি সুরক্ষা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026