1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গ্রিস-বাংলাদেশ শ্রমচুক্তি বাস্তবায়নের তাগিদ রাষ্ট্রদূত সুমনার গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার

বাব-এল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি সামরিক সরঞ্জামবাহী জাহাজে হুথি বাহিনীর হামলা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার সমীকরণ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪২ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
লোহিত সাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বাব-এল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি আরবের সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী একটি জাহাজে হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) হুথি নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা সাবা সূত্রে এই তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ইয়েমেনের কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, এর আগে একই এলাকায় একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের সংঘটিত হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ছয় জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত দশ জন। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক রুটে ধারাবাহিক হামলা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পণ্য সরবরাহ শৃঙ্খলকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে। বাব-এল-মান্দেব প্রণালীটি এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সামুদ্রিক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হওয়ায় এই জলপথে যেকোনো অস্থিরতা বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলে।
সৌদি আরবের সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী জাহাজে এই হামলার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক ও সামরিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই তিন দেশের সামরিক সমঝোতা আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। মক্কায় স্বাক্ষরিত ওই প্রতিরক্ষা চুক্তির শর্তানুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তাকে সম্মিলিতভাবে তিন দেশের ওপরই আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এর মূল লক্ষ্য হলো যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং যেকোনো সম্ভাব্য বহিঃশত্রুর আগ্রাসন প্রতিহত করা।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে সৌদি আরবের কিং আবদুলআজিজ বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও সহায়ক উড়োজাহাজ অবতরণ করেছে এবং মোতায়েন করা হয়েছে। সে সময় সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সামরিক পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের যৌথ সামরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং সশস্ত্র বাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় সম্মিলিত প্রস্তুতি বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।
বিশ্লেষকদের মতে, হুথি বাহিনীর সাম্প্রতিক এই হামলা এবং তিন মুসলিম দেশের মধ্যকার পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির বাস্তবায়ন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও সংলগ্ন জলসীমায় বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার তাগিদ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরালো হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026