1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব করল বাংলাদেশ ব্যাংক, সেবা স্বাভাবিক করার নির্দেশ এমন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা করতে চাই, যেটা বিতর্কের উর্ধ্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না বুধবারেই এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি সই করছে বিমান, চুক্তি হবে রেডিসনে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠক শুরু ৮ অক্টোবর দেশের অ্যাভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার ২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হবে নতুন ৪ বই: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া অংশীদারত্ব জোরদারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের উড়োজাহাজ চায় বাংলাদেশ মেসির বিদায়ী ম্যাচ আজ; বাংলাদেশ সময় কখন? মোবাইলে দেখবেন যেভাবে

চলতি অর্থবছর থেকেই কার্যকর হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
ঢাকা: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন পে স্কেল চলতি অর্থবছর থেকেই বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব জানান, সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়ন ও সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ সংক্রান্ত সচিব কমিটি প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে খসড়া প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করেছে। নতুন বেতন কাঠামোতে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থ বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি সাপেক্ষে প্রস্তাবিত খসড়াটি মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপন করবে।
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর পরপর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণ বা পে স্কেল দেওয়ার রীতি রয়েছে। তবে বিগত প্রায় এগারো বছর ধরে নতুন কোনো পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বেতন পুনর্বিন্যাসের একটি ধারাবাহিক দাবি ছিল। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৮ লাখ সরকারি চাকরিজীবী রয়েছেন। এই বিপুলসংখ্যক কর্মজীবীর ওপর মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় এনে সরকার দ্রুততম সময়ে এই পে স্কেল কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে মুখ্য সচিব বলেন, এত বিশাল সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জাতীয় অর্থনীতি ও বাজেটের ওপর স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা চাপ সৃষ্টি করবে। তবে এই সম্ভাব্য অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিতে সরকার উৎপাদনশীল খাত এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের মাধ্যমেই সৃষ্ট ব্যয়ভার সমন্বয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হলে তা পরবর্তীতে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, এর মাধ্যমে সরকারি প্রশাসনে কাজের গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে। সামগ্রিক অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে কীভাবে পর্যায়ক্রমে এই বেতন কাঠামো কার্যকর করা যায়, সে বিষয়েও অর্থ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026