1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যাংক বন্ধ নয়, সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চলছে: বাংলাদেশ ব্যাংক শিক্ষকতা কখনই উপায়হীন বিকল্প হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

রাজস্ব নিয়ে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: জাতীয় অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের গতি বাড়াতে কর ও রাজস্ব কাঠামো নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যকার ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি দূর করাই সরকারের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি রাজস্ব প্রশাসনকে আরও জনবান্ধব ও স্বচ্ছ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে রাজস্ব ব্যবস্থার বিকল্প নেই। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে কর দেওয়া নিয়ে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও বিভ্রান্তিকর ধারণা কাজ করে। এই বিভ্রান্তি দূর করে করজাল সম্প্রসারণ এবং জনগণের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত কর প্রদানের সংস্কৃতি গড়ে তোলাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। এ জন্য কর প্রশাসনের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আচরণ ও কার্যপদ্ধতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার তাগিদ দেন তিনি।
বাজেট ব্যবস্থাপনা ও সরকারি ব্যয় নীতির রূপরেখা তুলে ধরে সরকারপ্রধান সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রীয় তহবিলের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে অপ্রয়োজনীয় ও অপচয়মূলক খাতে ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে উন্নয়ন প্রকল্প, সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় খাতে অর্থায়ন অব্যাহত রাখা হবে। তিনি প্রতিটি রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক বিভাগের কর্মকর্তাদের পেশাদারত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করলে দেশ সার্বিক দিক থেকে এগিয়ে যাবে।
ভবিষ্যৎমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার অতীতমুখী রাজনীতি বা নীতিতে আটকে না থেকে দেশকে আধুনিক ও টেকসই ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে চায়। জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি। সবাইকে নিয়ে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা সুসংহত করা সম্ভব বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত এ রাজস্ব সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তা, রাজস্ব বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে করজাল সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ, স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল কর ব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগ এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব সংস্থানের কৌশল নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক বাধা দূর করে করদাতাদের আস্থা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করেন।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026