1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার কম্বোডিয়ায় স্বপ্নের সমাধি: বৃহস্পতিবার ফিরছে ৪ প্রবাসীর নিথর দেহ

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা: মৃত বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ শতাধিক বিদেশি পর্যটক

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘটিত ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে শত শত বিদেশি পর্যটকসহ বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে উদ্ধারকারী ও সরকারি সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। আকস্মিক এই বিপর্যয়ে সীমান্ত অঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উদ্ধারকারী দলের বরাত দিয়ে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এখন পর্যন্ত দুর্যোগ কবলিত এলাকা থেকে ১৬২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নেপালের পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বন্যা ও ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট এই পরিস্থিতিতে তিন শতাধিক মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের একটি বড় অংশে বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন, যাদের মধ্যে ভারতের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাও রয়েছেন।
ভোটকোশী নদীর তীব্র স্রোত ও পাহাড়ি ঢলে তীরের রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার বেশ কয়েকটি জনবসতি এবং পাহাড়ি জনপদ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলাকাগুলো তুলনামূলক জনবিরল হলেও নেপাল ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের জন্য এ অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আকস্মিক বন্যায় এই বাণিজ্য রুটসহ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, প্রধান মহাসড়ক এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ধসে পড়েছে। এর ফলে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা করাও দুরূহ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভয়াবহ এই প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে সরকার কোনো ধরনের বিলম্ব না করে সব ধরনের সম্পদ ও সক্ষমতা মাঠে নামিয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকর্মীদের পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে, তবে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে যৌথভাবে কাজ করছে নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন।
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হিমালয় সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে এ ধরনের আকস্মিক বন্যা ও মেঘ ভাঙা বৃষ্টির প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, এই ধরনের দুর্যোগ শুধু মানবজীবনের জন্যই মারাত্মক হুমকি নয়, বরং অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ভঙ্গুর ভূ-প্রকৃতির ওপরও গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সীমান্ত অঞ্চলের বাণিজ্য রুট ও জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026