1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যাংক বন্ধ নয়, সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চলছে: বাংলাদেশ ব্যাংক শিক্ষকতা কখনই উপায়হীন বিকল্প হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বার্লিন-মস্কো সম্পর্কে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইউক্রেন সংঘাতকে কেন্দ্র করে জার্মানি ও রাশিয়ার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে চরম অবনতি ঘটেছে। পূর্ব জার্মানির লাইপজিগ বিমানবন্দরে ঘটা একটি ড্রোন হামলার ঘটনার জেরে দুই দেশের মধ্যে এই কূটনৈতিক সংঘাতের সূত্রপাত হয়। জার্মান সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ওই বিমানবন্দরে অন্তর্ঘাতমূলক বা ‘হাইব্রিড হামলার’ উদ্দেশ্যে মস্কো নিম্নস্তরের চর বা এজেন্ট নিয়োগ করেছে। তবে বার্লিনের এই অভিযোগ শুরু থেকেই দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নাকচ করে আসছে রুশ কর্তৃপক্ষ।
এই বিরোধের জেরে সম্প্রতি জার্মান সরকার বন শহরে অবস্থিত রুশ কনস্যুলেট জেনারেলের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে কর্মকর্তাদের বহিষ্কার করে। পাশাপাশি রাজধানী বার্লিনে পরিচালিত ‘রাশিয়ান হাউস’ নামক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটিও বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছে বার্লিন প্রশাসন। এই কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলোর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ সাম্প্রতিক এক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন।
রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘ভেস্তি’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লাভরভ দাবি করেন, জার্মানির বর্তমান আচরণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর পূর্ববর্তী সময়ের ঐতিহাসিক ছায়া দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, বন থেকে আমাদের কূটনীতিকদের বহিষ্কার এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধ করার মতো পদক্ষেপগুলো কেবল বৈরিতাই বাড়াচ্ছে না, বরং এটি একধরনের যুদ্ধংদেহী মনোভাবেরই প্রকাশ। ঐতিহাসিকভাবে নাৎসি জার্মানির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমা এই দেশটি পুনরায় সংঘাতের পথ বেছে নিতে চাইছে। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানান, জার্মানির এ ধরনের প্রতিকূল আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে মস্কো প্রয়োজনীয় ও যথাযথ রাজনৈতিক ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধে কিয়েভকে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানকারী প্রধান পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি অন্যতম। দীর্ঘ সাড়ে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই ইউরোপীয় সংঘাতে বার্লিনের সরাসরি এবং সক্রিয় অবস্থান বরাবরই মস্কোর কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এমন এক সংবেদনশীল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে চলতি মাসের শেষ দিকে রাশিয়ায় অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ও কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনপূর্ব এই জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মস্কো ও বার্লিনের মধ্যকার এই উচ্চমাত্রার কূটনৈতিক বাকবিতণ্ডা ইউরোপীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও বেশি শঙ্কার মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026