1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব করল বাংলাদেশ ব্যাংক, সেবা স্বাভাবিক করার নির্দেশ এমন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা করতে চাই, যেটা বিতর্কের উর্ধ্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না বুধবারেই এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি সই করছে বিমান, চুক্তি হবে রেডিসনে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠক শুরু ৮ অক্টোবর দেশের অ্যাভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার ২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হবে নতুন ৪ বই: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া অংশীদারত্ব জোরদারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের উড়োজাহাজ চায় বাংলাদেশ মেসির বিদায়ী ম্যাচ আজ; বাংলাদেশ সময় কখন? মোবাইলে দেখবেন যেভাবে

ডাকসুর উদ্যোগে শিক্ষক মূল্যায়ন ওয়েবসাইট চালু

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাঠদানের মান, পেশাদারিত্ব ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাডেমিক আচরণ মূল্যায়নে ‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের বিভাগের শিক্ষকদের নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে মূল্যায়ন এবং পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করা হয়। ডাকসুর নেতারা জানান, শিক্ষক মূল্যায়নকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের মতামতকে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজে লাগানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়া বলেন, ডাকসু নির্বাচনের ইশতেহারে শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতি ছিল। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের পরও কার্যকর অগ্রগতি না হওয়ায় ডাকসুর উদ্যোগে ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সময় থেকেই কাজ করেছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি দপ্তর, উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করেও বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়।’

রাফিয়া আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিক্ষকদের পাঠদান, পেশাদারিত্ব ও একাডেমিক আচরণ বিষয়ে মতামত নেওয়ার একটি কার্যকর ও কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনীয়তা থেকেই ডাকসুর পক্ষ থেকে ‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ ওয়েবসাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডাকসু নেতারা জানান, ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশের জন্য শিক্ষার্থীদের নিজস্ব একাডেমিক ই-মেইল ব্যবহার করতে হবে। ই-মেইল দিয়ে প্রবেশের পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর ই-মেইলে একটি যাচাইকরণ কোড পাঠানো হবে। ওই কোড ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা শুধু নিজেদের বিভাগের শিক্ষকদের মূল্যায়ন করতে পারবেন। ফলে একজন শিক্ষার্থী অন্য বিভাগের শিক্ষকদের মূল্যায়ন করতে পারবেন না।

তারা জানান, ওয়েবসাইটটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের আগে দুইদিন পরীক্ষামূলকভাবে চালু রাখা হয়েছিল। ওই সময়ে প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থী ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে শিক্ষকদের মূল্যায়ন করেছেন। উদ্বোধনের পরও আগামী সাতদিন পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ সময়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া পরামর্শ ও মতামতের ভিত্তিতে ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংযোজন করা হবে।

পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে তিন মাসের শিক্ষক মূল্যায়ন ও শিক্ষার্থীদের মতামত বিশ্লেষণ করা হবে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করবে ডাকসু। সংশ্লিষ্ট মূল্যায়ন ও মতামতের সার্বিক বিশ্লেষণ শেষে প্রতিবেদনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর মূল উদ্দেশ্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ তৈরি করা নয়। বরং এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদানের মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মতামত জানানোর একটি কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ডাকসু।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ তৈরি করা নয়। এর মাধ্যমে পাঠদানের মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের মতামত জানানোর কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় ডাকসু।’

সাদিক কায়েম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মূল্যায়নের আওতায় আনা হলেও শিক্ষকদের পাঠদানের মান, একাডেমিক কার্যক্রম কিংবা উন্নতির জায়গা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত দেওয়ার কোনো কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা এতদিন ছিল না। শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ডাকসু দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ ও আলোচনা চললেও এক বছরেও কার্যকর ব্যবস্থা চালু না হওয়ায় ডাকসুর পক্ষ থেকে নিজস্ব উদ্যোগে ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়েছে।

সাদিক কায়েম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যর্থ হওয়ায় আমরা ডাকসুর উদ্যোগে শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি শুরু করেছি।’

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026