অনলাইন ডেস্ক যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ মঙ্গলবার শুরু হয়েছে। এ নির্বাচনে হয়তো কমলা হ্যারিস দেশটির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিহাস গড়বেন অথবা ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের
পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আজ শুরু হচ্ছে ভোট। বাংলাদেশ সময় এদিন সন্ধ্যা ৭টা এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হবে। ভোট গ্রহণ শেষ হবে বাংলাদেশ সময়
কাল ৫ নভেম্বর পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এ নির্বাচনের দিকে গোটা বিশ্ব অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। নির্বাচনি ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিশ্বনেতাদের সম্পর্ক কোন দিকে গড়াবে। একই
দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি কমলা হ্যারিস হবেন আমেরিকার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট। চূড়ান্ত বিচারে ‘কার জিত হবে’- এ নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনাকল্পনা। তবে কে হবেন আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট তা
প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু আলোচনা চলছে সারা বিশ্বে। বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়। দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলের দৃষ্টি এখন মার্কিন নির্বাচনের দিকে। ভোটে ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি কমলা হ্যারিস জিতবেন
৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। রিপাবলিকান প্রার্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী কমলা হ্যারিস। একদিকে ধনকুবের ব্যবসায়ী ট্রাম্পের ক্ষমতায় ফেরা অন্যদিকে ভারতীয় মায়ের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চূড়ান্ত ভোটের আর মাত্র পাঁচ দিন বাকি। অথচ মূল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট দলের কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান দলের ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে কে বিজয়ী হতে পারেন- তা কোনোভাবেই
৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দেবেন মার্কিন নাগরিকেরা৷ কিভাবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তা নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর থাকছে এই লেখাতে৷ কারা প্রার্থী হতে পারে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানতে চেয়েছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি খাতের অংশীদারি কোন পথে হাঁটছে। কীভাবে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। এ খাতের উন্নয়নে মার্কিন সরকার নীতিসহায়তাও দিতে প্রস্তুত আছে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতের
ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান। এরপর থেকে তাঁর অবস্থান নিয়ে জল্পনা–কল্পনা শুরু হয়। তবে ভারত সরকার এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে