1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ওয়ার্নারের তোপের জবাব জানা নেই কামিন্সের মুক্তির আগেই যে রেকর্ড গড়লো শাহরুখের ‘কিং’ রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি বাংলাদেশ লেবার পার্টির ‘এক নম্বর’ জয়ে এক নম্বর হয়ে বাংলাদেশ সিরিজে তাকিয়ে বাভুমা ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ, ১০ নম্বর মেট্রোস্টেশনের গেট বন্ধ এল নিনোর প্রভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বলিভিয়ায় পরিবার পরিকল্পনা জোরদারে বছরব্যাপী কার্যক্রম: ১ ডিসেম্বর উদ্বোধন গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশ বক্সে আগুনের পর বিজিবি মোতায়েন ১৯ দফা কর্মপরিকল্পনা সরকারের হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

এল নিনোর প্রভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বলিভিয়ায়

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

এল নিনো আবহাওয়াজনিত প্রাকৃতিক ঘটনার প্রভাব মোকাবিলায় বলিভিয়াজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যা ও খরার প্রভাব মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। একই সঙ্গে দুর্যোগে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকারী দল মোতায়েন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত শনিবার জরুরি অবস্থার ঘোষণা দিয়ে একটি ডিক্রিতে সই করেন বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ। তিনি বলেন, এল নিনোর কারণে খরা ও বন্যার ‘খুব ভয়াবহ প্রভাব’ পড়তে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন।

সরকারের চলতি সপ্তাহের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বলিভিয়ার ৯টি বিভাগের মধ্যে ৬টিতে খরার প্রভাব পড়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭৮ হাজার পরিবার। খরার কারণে দেশটিতে ৭৫ হাজারের বেশি গবাদি পশু মারা গেছে।

বলিভিয়ায় বন্যার ঝুঁকিও রয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশটির সান্তা ক্রুজ অঞ্চলে বন্যায় অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

এদিকে প্রতিবেশী চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোতে এ বছরের অক্টোবরে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। অন্যদিকে, গত মাসে পেরুতে দাবানলে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এল নিনো বৈশ্বিক জলবায়ুর একটি প্রাকৃতিক ঘটনা। সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর এটি দেখা দেয়। এ সময় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসে। ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

এল নিনোর তীব্রতা সব সময় এক রকম থাকে না। ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এর প্রভাবও ভিন্ন হয়। তবে চলতি চক্রটি ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের শেষ দিকে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি হওয়ার কথা। তবে এর প্রভাব ২০২৭ সালজুড়েও অব্যাহত থাকতে পারে।

বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস, এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে দরিদ্র দেশগুলোর।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছিল, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা প্রায় ১০০ শতাংশ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026