1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় সম্মতি পুতিনের এবার আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারল বাংলাদেশ সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার সচিবালয়ে ডিজিটাল হাজিরা, তদারকিতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল আজ প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণাঞ্চল সফর ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন

জালালকে নিয়ে পোস্ট করে হামলার শিকার ডাকসুর আরেক ভিপি প্রার্থী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৮৩ বার দেখা হয়েছে

 

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে রুমমেটকে আহত করার ঘটনার জেরে সৃষ্টি হওয়া উত্তেজনায় এবার হামলার শিকার হয়েছেন ডাকসুর ভিপি পদপ্রার্থী ও বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ওয়াহেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী এবং মাস্টার দা সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

এর আগে, একই রাতে মুহসীন হলের ৪৬২ নম্বর কক্ষে জালাল আহমদ (টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগ) ও তার রুমমেট রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রবিউল হকের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ বাধে। এতে রবিউল আহত হয়ে মেডিকেলে ভর্তি হন। এরপর উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা জালালের কক্ষের সামনে অবস্থান নেন।

এসময় জালাল দরজা বন্ধ করে নিজেকে ভেতরে আটকে রাখেন। এসময় জালালের আত্মহত্যার আশঙ্কা করে আবদুল ওয়াহেদ একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে মব না করে জালালকে উদ্ধার করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানান। এই পোস্ট তিনিই দিয়েছেন- এমনটি টের পেয়ে এবং জালালকে রুম থেকে বের করে মারধরের সময় নিষেধ করা ও ভিডিও করে ফেসবুকে দেওয়ায় কিছু শিক্ষার্থী তার ওপর হামলা চালান। এছাড়া, তার মোবাইল কেড়ে নিয়ে তা থেকে ছবি-ভিডিও ডিলিট করেন।

সেই ফেসবুক স্ট্যাটাসে আবদুল ওয়াহেদ বলেন, জালাল যদি সুইসাইড করে এর দায়ভার শিক্ষার্থীরা নেবেন কিনা? তারা রুমের বাইরে অবস্থান করছেন। প্রক্টর স্যার রুমের বাইরে আছেন। শাহবাগ থানা প্রশাসনের লোকও আছেন হল গেইটে। উনাকে রুম থেকে উদ্ধার করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়ে আবদুল ওয়াহেদ বলেন, ঘটনার পর আবদ্ধ রুমে আমি জালালের আত্মহত্যার আশঙ্কা করছিলাম, যার কারণে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলি যে, এরকম ঘটনা ঘটলে রুমের সামনে অবস্থান করা শিক্ষার্থীদের দায় নিতে হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা কথা দেয়, তার গায়ে হাত তোলা হবেনা। কিন্তু রুম থেকে বের হওয়ার পর তাকে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সামনেই তাকে প্রচণ্ড মারধর করা হয় এবং রক্তাক্ত করে ফেলে। সেসময় আমি তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করি যে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া ঠিক হচ্ছে না। জালাল দোষী হলেও আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হোক, কিন্তু হামলা ও মারধর সমাধান নয়। তখন একদল শিক্ষার্থী আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং জালালের ওপর হামলার ভিডিও ফেসবুক থেকে ডিলিট করতে বাধ্য করে। এসময় তারা আমার গায়েও হাত তুলে। এছাড়া, আমার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া মোবাইলটি থানা থেকে ১ ঘণ্টা পরে উদ্ধার করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি জালালের উপর হামলাকারী ও আমার উপর হামলাকারীদের ঢাবি থেকে বহিষ্কারের এবং গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। ঢাবিতে মব কালচার আর ফিরে না আসার জন্য ঢাবি প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে। আমরা এর আগে দেখেছি, কীভাবে তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026