ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আরও এক জোড়া ট্রেন চালু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেসের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করে এ ট্রেন চালু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। এর ফলে প্রতিদিন এ রুটে আরও প্রায় দেড় হাজার যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) থেকে মহানগর এক্সপ্রেসের বর্ধিত রুটে যাত্রার উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মহানগর এক্সপ্রেসের এই যাত্রার মাধ্যমে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মোট ট্রেনের সংখ্যা দাঁড়াল তিন জোড়ায়।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ৪৬৭.৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পথে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি থাকবে মোট ১২টি স্টেশনে। ঢাকা ও কক্সবাজার প্রান্তিক স্টেশন ছাড়াও মধ্যবর্তী বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরববাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও চট্টগ্রাম স্টেশনে এ ট্রেনের যাত্রাবিরতি থাকবে। নতুন এ সার্ভিস চালুর ফলে ট্রেনটির কুমিরা স্টেশনে যাত্রাবিরতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ট্রেনটি ছেড়ে যাবে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে এবং কক্সবাজার পৌঁছাবে সকাল ৬টায়। অন্যদিকে, কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ট্রেনটি ছেড়ে যাবে সকাল ৯টায় এবং ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে।
উভয় ক্ষেত্রে যাত্রার মোট সময় ধরা হয়েছে ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। ট্রেনটির রেক বেইজ, ওয়াটারিং ও ক্লিনিং হবে কক্সবাজারে। প্রতি রোববার থাকবে সাপ্তাহিক বন্ধ। ট্রেনটির আসনসংখ্যা ৭৩৬ ও ৭০৬টি। পূর্বনির্ধারিত ভাড়ার হার অনুযায়ী এ ট্রেনের ভাড়া প্রযোজ্য হবে।
বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে দুই জোড়া ট্রেন চলাচল করছে—পর্যটন এক্সপ্রেস ও কক্সবাজার এক্সপ্রেস। পর্যটন নগরী কক্সবাজারের এ রুটে ট্রেনে যাতায়াতের জন্য যাত্রীদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে পরিচালিত ট্রেনটির রুট বর্ধিত করে কক্সবাজার পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বর্তমান সরকারের আন্তনগর রেল সার্ভিস বৃদ্ধি-সংক্রান্ত নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের বিভিন্ন স্থানের যাত্রীরা রেলযোগে সরাসরি কক্সবাজারে যাতায়াতের আরও সুযোগ পাবেন।
মহানগর এক্সপ্রেসের বর্ধিত রুটে যাত্রার উদ্বোধনের সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.