1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিল জাপান প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, দীর্ঘ যানজট তাকাইচিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ ঢাকা-চট্টগ্রামে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয় জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদা মারা গেছেন অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত ‘অর্ণব’, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারের আহবান প্রধানমন্ত্রীর | Boishakhi Online ঋণ পরিশোধ করতে ২৫০ কোটি টাকার প্রেফারেন্স শেয়ার ছাড়বে সিঙ্গার বাংলাদেশ

ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট পেলেন বাংলাদেশি গবেষক, কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

দীর্ঘ পাঁচ বছর দুই মাস পর ন্যানো ইউরিয়া উদ্ভাবনের পেটেন্ট অনুমোদন পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান। গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আশা, উদ্ভাবনটি দেশের কৃষিতে সার ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ানো এবং অপচয় কমানোর সম্ভাবনা তৈরি করবে। রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ পেটেন্ট অফিস তার উদ্ভাবনের পেটেন্ট অনুমোদন করে। অধ্যাপক জাভেদ হোসেন খানের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্টের জন্য আবেদন করা হয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এবার সেই আবেদন অনুমোদন পেয়েছে। পেটেন্ট অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সহযোগিতা ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। অধ্যাপক জাভেদ বলেন, ‘২০২১ সালে আমরা বাংলাদেশ পেটেন্ট অফিসে আবেদন করেছিলাম। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর আজ পেটেন্টের অনুমোদন পেয়েছি। এ অর্জনের পেছনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং উপদেষ্টা জনাব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর আন্তরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’ ন্যানো ইউরিয়ার সম্ভাব্য সুবিধা তুলে ধরে এই গবেষক বলেন, প্রযুক্তিটি কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার দক্ষতা বাড়ানো, সারের অপচয় ও উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং ফসলের ফলন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত সার ব্যবহারের কারণে পরিবেশের ওপর যে চাপ পড়ে, তা কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে। যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর এ অর্জনকে বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের জন্য গৌরবের বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই উদ্ভাবন কৃষিতে উৎপাদন ব্যয় কমানো, ইউরিয়া সার আমদানির ওপর নির্ভরতা হ্রাস এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বাংলাদেশে ন্যানোটেকনোলজি গবেষণায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন অধ্যাপক জাভেদ। ২০১৩ সাল থেকে তিনি যবিপ্রবিতে নিজস্ব গবেষণাগার পরিচালনা করছেন। তার প্রতিষ্ঠিত ন্যানো-বায়ো অ্যান্ড অ্যাডভান্সড মেটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং (ন্যাম) ল্যাবে ন্যানোটেকনোলজি ও উন্নত উপকরণ নিয়ে গবেষণা চলছে। ২০২৫ সালে তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ফেলো নির্বাচিত হন। পেটেন্ট অনুমোদনের ফলে উদ্ভাবনটির আরও উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বাণিজ্যিক উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে কৃষিতে এর কার্যকারিতা, সাশ্রয় এবং পরিবেশগত প্রভাব নিশ্চিত করতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও মাঠপর্যায়ে যাচাই প্রয়োজন। গবেষণার ফল বাণিজ্যিকভাবে প্রয়োগ করা গেলে কৃষকদের কাছে সাশ্রয়ী ও কার্যকর প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। অধ্যাপক জাভেদ হোসেন খান বলেন, দেশের মাটি, কৃষি ও কৃষকের স্বার্থকে সামনে রেখেই তাদের গবেষণা। উদ্ভাবনটিকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে সুরক্ষা দেওয়া এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে ব্যবহার নিশ্চিত করাই তার লক্ষ্য।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026