1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সৌদির কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা, ১ জনের মৃত্যু ‘প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এযাবৎকালের সেরা পরামর্শ’ | Boishakhi Online মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা চালুর উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খুলনায় প্রথমবার তারেক রহমান আন্তর্জাতিক জিন ব্যাংকে যুক্ত হচ্ছে সুন্দরবনের সাতটি জলজ প্রজাতির ডিএনএ সিকোয়েন্স হিরণ পয়েন্ট ও নলিয়ান পরিদর্শন শেষে মোংলা নৌঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী মোংলায় বানৌজাতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ব্যাটে-বলে অস্ট্রেলিয়াকে ভুগিয়ে ইয়ানসেনের প্রত্যয়, ‘বারবার ফিরে আসবই’ ফিফা নারী ফুটবল র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল বাংলাদেশ আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ব্যাটিংয়ে বিসিবি একাদশ

বিশ্ব ব্যাংক-আইএমএফের অর্থায়ন নিয়ে ‘কোনো দ্বিধা নেই’: অর্থ উপদেষ্টা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

তার ভাষ্য, বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো যে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া’, এ বিষয়ে উন্নয়ন সহযোগীরা একমত হয়েছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অর্থায়ন পাওয়া নিয়ে ‘কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই’ বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বুধবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিতুমীর বলেন, “অনেক সময় অনেকেই মনে করছেন যে এক ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব আছে। কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্বের কোনো কিছুই নেই।”

"সেটা বিশ্ব ব্যাংকই হোক, সেটা বিভিন্ন দেশের ট্রেজারিই হোক বা বহুপক্ষীয় যে সংস্থাই হোক, তারা কিন্তু সবাই উল্লেখ করছেন যে আজকের যে সমস্যা এগুলো সবই আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয়েছি।"

বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়ে আলোচনা করছে। পাশাপাশি নিয়মিত সহায়তার বাইরে আগামী তিন বছরে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ চেয়েছে বিশ্ব ব্যাংকের কাছে।

এছাড়া সভার ফাঁকে বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।

এসব ঋণ ও বিনিয়োগ আলোচনার মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব, ব্যাংক ও আর্থিক খাত এবং জ্বালানি খাতের সংস্কার আলোচনায় আসে বরাবরই।

সেক্ষেত্রে এবার ঋণ প্রাপ্তির আলোচনায় উন্নয়ন সহযোগীরা কী ধরনের সংস্কারের কথা বলেছেন–সেই প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের আগে ইশতেহারেই সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেছিল।

করহার না বাড়িয়ে করব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করা, কর প্রশাসনের ডিজিটাইজেশন এবং করদাতাদের হয়রানি কমানোর ওপর জোর দেন তিনি।

তিতুমীরের ভাষ্য, করব্যবস্থাকে ডিজিটাল করার মাধ্যমে কর সংগ্রহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ‘ইতিবাচক অগ্রগতিও’ দেখা যাচ্ছে।

ব্যাংক খাতের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। ইসলামী ব্যাংকগুলোর গ্রাহকেরা তাদের আমানত ফেরত পাচ্ছেন। আমানত ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের অর্থের একটি অংশ কেটে রাখার যে আলোচনা ছিল, সেখান থেকেও সরকার সরে এসেছে।

ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ কমানো এবং আর্থিক বিবরণী বা ব্যালান্স শিটের দুর্বলতা দূর করার কৌশল নিয়েও কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

তিতুমীর বলেন, আগের সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতে যে সমস্যাগুলো তৈরি হয়েছিল, সেগুলো মোকাবিলায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন বলে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে জানিয়েছে।

বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত দীর্ঘদিন ধরে কম থাকার বিষয়টি তুলে ধরে তিতুমীর বলেন, কর প্রশাসনে ‘পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি’ থেকে বেরিয়ে এসে স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তার মতে, করহার না বাড়িয়েও করব্যবস্থার সংস্কার ও ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়ানো সম্ভব; সরকার সে লক্ষ্যেই কাজ করছে।

উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠকে সরকারের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি। এসব উদ্যোগের বিষয়ে উন্নয়ন সহযোগীরা একমত হয়েছেন বলে তার দাবি।

দারিদ্র্যের ফাঁদে নতুন মানুষ, কোথায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবলয়?

নিরাপদ পূজা কোনো অনুগ্রহ নয়, নাগরিক অধিকার

ফুটপাত: নেপথ্যের চক্র, কালো অর্থনীতি ও উচ্ছেদ নাটক

তৌফিক ভাইকে নিয়ে একটি নির্মোহ বিশ্লেষণের প্রয়াস

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026