1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় সম্মতি পুতিনের এবার আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারল বাংলাদেশ সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার সচিবালয়ে ডিজিটাল হাজিরা, তদারকিতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল আজ প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণাঞ্চল সফর ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন

মাগুরার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় পিছাল

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

বহুল আলোচিত মাগুরার আট বছর বয়সী শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায় ঘোষণার দিন পিছিয়ে আগামী সোমবার নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন।

এর আগে মঙ্গলবার এই মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারিত ছিল। আদালতের কার্যক্রমের শুরুতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক আদালতকে জানান যে, এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করা অ্যাটর্নি জেনারেল বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানির ধারাবাহিকতা ও প্রস্তুতির স্বার্থে আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন দিন ধার্য করেন। মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হাফিজুর রহমান খান।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, রমজানের ছুটিতে মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল আট বছর বয়সী শিশু আছিয়া। গত বছরের ৫ মার্চ রাতে বোনের বাড়িতে সে ধর্ষণের শিকার হয়। অভিযোগ রয়েছে, বোনের শ্বশুর হিটু শেখ শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখম করেন। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নিহতের মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনকে আসামি করে মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে এবং আদালত অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন। বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান গত বছরের ১৭ মে আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

বিচারিক আদালতের রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মামলার অন্য তিন আসামি—নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস প্রদান করা হয়।

আইন অনুযায়ী বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষিত হওয়ার পর তা কার্যকরের পূর্বে হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে অনুযায়ী গত বছরের ২১ মে মামলার যাবতীয় নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও পেপারবুক প্রস্তুত শেষে মামলাটি শুনানির জন্য হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চের তালিকার অন্তর্ভুক্ত হয় এবং বিচারিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত ধাপের দিকে অগ্রসর হয়। এ রায়ের ওপর উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেশের বিচার ব্যবস্থায় শিশু সুরক্ষা ও নারী-শিশু নির্যাতন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026