1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় সম্মতি পুতিনের এবার আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারল বাংলাদেশ সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার সচিবালয়ে ডিজিটাল হাজিরা, তদারকিতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল আজ প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণাঞ্চল সফর ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন

শাহজালাল বিমানবন্দরে টয়লেট প্যানেল থেকে ১৮ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১০৪ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের কার্গো কম্পার্টমেন্টের টয়লেট প্যানেলের ভেতর থেকে ১৫৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের মোট ওজন প্রায় ১৮ কেজি এবং বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩৮ কোটি টাকা।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে দুবাই থেকে আসা বিজি-৩৪৮ ফ্লাইটটি শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করলে আগে থেকেই গোপন সূত্রের ভিত্তিতে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। তল্লাশির সময় বিমানের কার্গো হোল্ডের টয়লেট প্যানেল খুলে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় লুকানো স্বর্ণের বারগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ পরবর্তীতে বিমানবন্দর কাস্টমসে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং চোরাচালান রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। এ ধরনের যৌথ অভিযান স্বর্ণসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চোরাচালান প্রতিরোধে কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্বর্ণ চোরাচালানের ক্ষেত্রে বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোয়েন্দা তথ্যের গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরেছে এই ঘটনা। বিশেষভাবে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি পরিচালনা এবং লুকানো আইটেম শনাক্ত করার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বড় পরিমাণ স্বর্ণের অবৈধ আনা আটকানো সম্ভব হয়েছে।

এই ধরনের উদ্ধার কার্যক্রমের ফলে আন্তর্জাতিক ও আভ্যন্তরীণ যাত্রীদের সুরক্ষা এবং দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি রোধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা হচ্ছে। এছাড়াও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো নিয়মিত নজরদারি ও অনুসন্ধান বাড়িয়ে দেশের সীমান্ত এবং বিমানবন্দরগুলিতে চোরাচালান প্রতিরোধে সচেষ্ট রয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের যৌথ অভিযান নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026