1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫২ বার দেখা হয়েছে
স্বাস্থ্য ডেস্ক
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৫ জন। বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ছেদ পড়া এবং সচেতনতার অভাবে শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ ও প্রাণহানির ঝুঁকি বাড়ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে ৪ জন হামের উপসর্গ নিয়ে এবং ১ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৮৫ শিশুর মৃত্যু হলো। এর মধ্যে শুধু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিশু এবং বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪১ জন। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে ৮৭৯ শিশু নতুন করে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৮৪৭ জন শিশু।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৯ হাজার ১২৫ জন। এর মধ্যে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৯ জনে। প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ১ লাখ ২১ হাজার ১৩ জন রোগী। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮২৭ জন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত শিশুদের আক্রান্ত করে। সঠিক সময়ে টিকা না নেওয়া এবং অপুষ্টির শিকার শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগের জটিলতা হিসেবে নিউমোনীয়া, তীব্র শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া এবং মস্তিষ্কের প্রদাহ দেখা দিতে পারে, যা অনেক সময় শিশুর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের সব অঞ্চলে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার পাশাপাশি অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026