1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় সম্মতি পুতিনের এবার আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারল বাংলাদেশ সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার সচিবালয়ে ডিজিটাল হাজিরা, তদারকিতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল আজ প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণাঞ্চল সফর ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন

সড়কে বিশৃঙ্খলা পুলিশকে ‘খুশি করে’ এক্সপ্রেসওয়েতে চলছে অবৈধ বাস পদ্মা সেতু দিয়ে বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়া বন্ধ রেখেছে বিআরটিএ। পদ্মা সেতুর সদ্ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন।

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩
  • ১৬৫ বার দেখা হয়েছে

পদ্মা সেতুর এক্সপ্রেসওয়েতে ইমাদ পরিবহনের যে বাস দুর্ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেই বাসের চলাচলের অনুমতি ছিল না। ছিল না ফিটনেস সনদও। তারপরও সেটি নিয়মিত ঢাকা থেকে খুলনার পথে যাত্রী পরিবহন করছিল। এমন শত শত বাস পদ্মা সেতু হয়ে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় অবৈধভাবে চলাচল করছে। এর মধ্যে গ্রিনলাইন, হানিফ, সোহাগ, এনা, ইউনিক, গোল্ডেন লাইনসহ বড় কোম্পানির বাসও রয়েছে।

পরিবহন কোম্পানিগুলোর সূত্র বলছে, পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণের পথে যাত্রী চাহিদা বেড়ে যায়। নতুন বাস নামাতে তারা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বরাবর চলাচলের অনুমতির (রুট পারমিট) জন্য আবেদনও জমা দিয়েছে। কিন্তু ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আপত্তিতে তা দিচ্ছে না বিআরটিএ। এর ফলে অনুমতি ছাড়াই পুলিশকে ‘খুশি করে’ করে বাস চালানো হচ্ছে। এই সুযোগে ফিটনেসবিহীন বাসও এই এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে অবাধে চলাচল করছে। সেই সঙ্গে বেপরোয়া গতি সড়ক দুর্ঘটনা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিরাই এই পথে বেশি বাস চালাচ্ছেন।নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়াও।

এই অবস্থা চললেও এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। যাদের সিদ্ধান্তে রুট পারমিট দেওয়া বন্ধ রয়েছে, সেই সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, এটা দেখার দায়িত্ব পুলিশ ও বিআরটিএর। অন্যদিকে বিআরটিএর একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, রুট পারমিট দেওয়ার পর সড়কে বাস চলল কি না, অথবা স্থগিত করার পর আবার চলাচল করছে কি না, তা দেখার মতো লোকবল বা ব্যবস্থা বিআরটিএর নেই। পুলিশ চাইলে যেকোনো সময় ব্যবস্থা নিতে পারে। এখন পুলিশ নীরব থাকলে শাস্তি কার্যকর করা কঠিন।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026