1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় সম্মতি পুতিনের এবার আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারল বাংলাদেশ সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার সচিবালয়ে ডিজিটাল হাজিরা, তদারকিতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল আজ প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণাঞ্চল সফর ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন

১৬ বছর ধরে সাইবার বুলিংয়ের শিকার অভিনেত্রী প্রভা, আইনি ও সামাজিক সচেতনতার দাবি

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ৪৬ বার দেখা হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক

দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রমাগত সাইবার বুলিং ও ট্রলের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা এবং এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে মুখ খুলেছেন দেশের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী সাদিয়া জাহান প্রভা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি অনলাইন মাধ্যমে হয়রানি ও সমাজে ভিকটিম ব্লেমিং বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে দোষারোপ করার প্রবণতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই সময় তিনি সাইবার অপরাধীদের চিহ্নিত করে সামাজিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

ভিডিও বার্তায় সাদিয়া জাহান প্রভা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে সাধারণ মানুষের আচরণ এবং অনলাইন বুলিংকারীদের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, একশ্রেণীর ব্যবহারকারী নিজেদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, কুণ্ঠাবোধ এবং অতৃপ্তি থেকে অন্যান্য ব্যক্তি বা তারকাদের লক্ষ্য করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও মৌখিক নির্যাতন চালিয়ে থাকেন। এটি এক ধরনের পৈশাচিক আনন্দ ও মানসিক বিকৃতির বহিঃপ্রকাশ।

অভিনেত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত দেড় দশক ধরে তাকে যেভাবে ধারাবাহিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, তার অর্ধেক সচেতনতা যদি অপরাধীর বিরুদ্ধে দেখানো হতো, তবে সমাজে অপরাধ প্রবণতা বহুলাংশে হ্রাস পেত। তিনি বর্তমান সময়ে ধর্ষণ বা অ্যাসিড নিক্ষেপের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীদের ছবি প্রকাশ ও কঠোর শাস্তির দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে বলেন, কারও সম্মতি ছাড়া ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করা বা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। অথচ সমাজে অপরাধীকে আড়াল করে বারবার ভিকটিম বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইন এবং সাইবার নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, ডিজিটাল মাধ্যমে কারও অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ধারণ, সংরক্ষণ ও প্রকাশ করা স্পষ্টত দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের অপরাধের ফলে একজন ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ট্রমার শিকার হন। প্রভার এই ভিডিও বার্তাটি দেশের বিনোদন অঙ্গনসহ সচেতন নাগরিক সমাজে নতুন করে সাইবার নিরাপত্তা ও নারীদের সুরক্ষার বিষয়টি সামনে এনেছে।

সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সহজলভ্যতার কারণে দেশে সাইবার বুলিংয়ের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে, যার বড় অংশই নারী। সুনির্দিষ্ট আইনি বিধান থাকা সত্ত্বেও যথাযথ প্রয়োগের অভাব এবং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। সাদিয়া জাহান প্রভার এই প্রতিবাদী অবস্থান সমাজে সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারীদের আইনি অধিকার সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026