1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়াকে ‘লজ্জাজনক’ আখ্যা ট্রাম্পের ৩৪৬ রানে থামল বাংলাদেশ আবুধাবি টেস্ট: সাড়ে তিনশ’র আগেই অলআউট বাংলাদেশ এবারও জুটল না নোবেল: ট্রাম্পের জেতার ‘আশা’ করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিম্নমানের যাত্রীসেবায় ক্ষুণ্ন হচ্ছে ঢাকা বিমানবন্দরের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী স্ক্রলের আড়ালে বাড়ছে মানসিক রোগ, নেই প্রকৃত তথ্য আন্তর্জাতিক বিরতি শেষে আবার ক্লাব ফুটবলের রোমাঞ্চের অপেক্ষা বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষের শিকার আর্জেন্টিনা আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের হিরা

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষের শিকার আর্জেন্টিনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

২০২৬ বিশ্বকাপে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষের শিকার হয়েছে আর্জেন্টিনা। ফিফার এক গবেষণায় দেখা গেছে, টুর্নামেন্ট যত এগিয়েছে, আর্জেন্টিনাকে লক্ষ্য করে এমন বার্তার সংখ্যাও তত বেড়েছে। লা আলবিসেলেস্তদের পর এই তালিকায় রয়েছে ইংল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল ও নরওয়ে।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রাক্কালে ফিফার সামাজিক মাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবা (এসএমপিএস) গবেষণাটি প্রকাশ করে। এতে ২০২৬ সালের ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও টিকটকে প্রকাশিত ১ কোটি ৭১ লাখের বেশি পোস্ট ও মন্তব্য বিশ্লেষণ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে ঘিরে সমালোচনার প্রধান বিষয় ছিল রেফারিদের কাছ থেকে তাঁর দল বাড়তি সুবিধা পেয়েছে বলে অভিযোগ। এসব সমালোচনার সঙ্গে বিদেশিবিদ্বেষমূলক মন্তব্যও যুক্ত ছিল।

ব্যক্তিগতভাবে খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে চালানো আক্রমণের ক্ষেত্রে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের পর চতুর্থ অবস্থানে ছিল আর্জেন্টিনা। এসব আক্রমণের বড় অংশজুড়ে ছিল বর্ণবাদী মন্তব্য। বিশেষ করে আফ্রিকান বংশোদ্ভূত কয়েকজন খেলোয়াড়কে লক্ষ্য করে এমন মন্তব্য করা হয়।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি অনলাইন হয়রানির শিকার হওয়া খেলোয়াড়ের পরিচয় প্রকাশ করেনি ফিফা। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই খেলোয়াড় বর্ণবাদ, সমকামীবিদ্বেষ, নারী বিদ্বেষ ও ট্রান্সজেন্ডারবিদ্বেষমূলক আক্রমণের শিকার হয়েছেন।

বিদেশিবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের প্রধান লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এসব মন্তব্যে অভিবাসন, জাতীয় পরিচয় এবং জাতীয় দল গঠনে খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয় উঠে এসেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026