1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিশ্ব ব্যাংক-আইএমএফের অর্থায়ন নিয়ে ‘কোনো দ্বিধা নেই’: অর্থ উপদেষ্টা অভিবাসন ব্যয় কমানো ও দালালচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজে বাধা কাটলো নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে ঢাকা-রোম ফ্লাইট বাড়ানোর পরিকল্পনা সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদকে বিএনপির শেষ শ্রদ্ধা ‘সাত মাসে ২ কোটি শিশুকে টিকা দিয়েছে সরকার’ পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্পখাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা ‘বাংলাদেশ একটি ভালো টেস্ট দল’ ‘বাংলাদেশে খেলা চ্যালেঞ্জিং, আমরা প্রস্তুত আছি’ ড. ইউনূসকে হেনস্তা আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থি

‘সাত মাসে ২ কোটি শিশুকে টিকা দিয়েছে সরকার’

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

সংকট কাটিয়ে বর্তমান সরকারের নানা পদক্ষেপে দুই কোটিরও বেশি শিশুর কাছে সফলভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

তিনি বলেন, বিগত সময়ের অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার কারণে দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সংকট কাটিয়ে বর্তমান সরকারের গত সাত মাসের নিবিড় পদক্ষেপে দুই কোটিরও বেশি শিশুর কাছে সফলভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ‘বাংলাদেশে ইপিআই ও ভিপিডি সার্ভেইল্যান্সের যৌথ স্বাধীন পর্যালোচনা ফলাফল অবহিতকরণ’ শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

এম এ মুহিত বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মাথায় পূর্ববর্তী ব্যর্থতা ও সংকটের প্রতিফলন হিসেবে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গত সাত মাসে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুই কোটির বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।’

এম এ মুহিত বলেন, ‘হামের প্রাদুর্ভাব এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, ঝুঁকি এখনও বিদ্যমান। তাই ইপিআই কার্যক্রমে চিহ্নিত সীমাবদ্ধতা ও সংকটগুলো দ্রুত দূর করতে হবে।’

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইপিআই কার্যক্রম বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে এক সময় অত্যন্ত সমাদৃত ও প্রশংসিত একটি মডেল ছিল। বহু বছর ধরে এ কর্মসূচি আমাদের শিশুদের অকাল মৃত্যু ও প্রতিবন্ধিতার হাত থেকে রক্ষা করেছে এবং দুর্গম প্রান্তিক অঞ্চলেও সেবা নিশ্চিত করেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বিগত সময়ের অব্যবস্থাপনার কারণে এই সফল কার্যক্রমে মারাত্মক ছন্দপতন ঘটেছিল।’ সূত্র: বাসস

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026