1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আমেরিকান তরুণদের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের দর্শকসংখ্যা বেড়েছে ‘২০ শতাংশ’ মক্কা চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে সেনা মোতায়েন করবে তুরস্ক, পাকিস্তান এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একই স্থানে দুই দুর্ঘটনা, নিহত ১ নোবেল ইতিহাসে ক্যুরি পরিবারের অনন্য রেকর্ড শাহজালালে ৩ যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দ জোয়ারের সঙ্গে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই করে টিকে থাকে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীরা দেশের ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএম সেবা বন্ধ, জানে না বাংলাদেশ ব্যাংক বিদায়ী ম্যাচে মেসির সামনে বিশ্ব রেকর্ডের হাতছানি

বেশি লাভ পেতে মিয়ানমার থেকে আইস আনতেন হোছেন : র‍্যাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৬০ বার দেখা হয়েছে

প্রতি গ্রামে ১৩ থেকে ২৩ হাজার টাকা বেশি লাভ পেতে মিয়ানমার থেকে দেশে আইস নিয়ে আসেন কক্সবাজারের টেকনাফের বাসিন্দা হোছেন ওরফে খোকন। এ আইস বিক্রি হয় ঢাকা ও চট্টগ্রামে। মিয়ানমারে এক গ্রাম আইসের দাম দেড় থেকে দুই হাজার টাকা হলেও বাংলাদেশে এর দাম ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব কথা জানিয়েছেন।

এর আগে সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে পাঁচ কেজি আইস, বিদেশি অস্ত্রসহ হোছেন ও মোহাম্মদ রফিক নামের দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, হোছেন এর আগে বার্মিজ কাপড় ও আচার ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা নিয়ে আসছিলেন। তবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ‘অভিজাত শ্রেণির’ কাছে আইস বা ক্রিস্টাল মেথ জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় তিনি কয়েক মাস ধরে আইস নিয়ে আসছেন।

র‍্যাবের ভাষ্য, এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে এত বড় আইসের চালান ধরা পড়েনি। এ যাবৎকালের ধরা পড়া সবচেয়ে বড় চালান এটি। হোছেন চক্রের অন্যতম হোতা। আর রফিক তার অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন।

গ্রেফতার দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেফতার দু’জন টেকনাফকেন্দ্রিক মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য। চক্রটি কয়েক বছর ধরে অবৈধ মাদক ইয়াবার কারবার করে আসছে। চক্রে ২০ থেকে ২৫ জন যুক্ত। সিন্ডিকেটের সদস্যরা নৌপথ ব্যবহার করে মাদকের চালান দেশে নিয়ে আসছে। ঢাকার উত্তরা, বনানী, গুলশান, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় তাদের সিন্ডিকেট সদস্য রয়েছে। তাদের বিষয়ে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026