1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

মাছ রপ্তানিতে আয় ৩ হাজার কোটি টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৮
  • ২৩৬ বার দেখা হয়েছে

চলতি অর্থবছরে মাছ রপ্তানিতে আয় বেড়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে জুলাই-মার্চ মেয়াদে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪০ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এই অর্থ চলতি বছরের মোট লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৩.৭০ শতাংশ বেশি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইপিবির প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫২ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সেখানে ৯ মাসে এই খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪০ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরের ৯ মাসে আয় হয়েছিল ৩৮ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার।
ইপিবির তথ্যে দেখা গেছে, অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ২.৮০ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে প্রথম ৯ মাসে ৪৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয়েছে ৩৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১.১১ শতাংশ বেশি।
২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ মেয়াদের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই মেয়াদে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ৬.৫৫ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে এ খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৩৮ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৬.৩৮ শতাংশ কম। আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ মেয়াদে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৩২ লাখ ৯০ হাজার ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসের চেয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় ১৩.৬৮ শতাংশ বেড়েছে।
২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৭.৮৪ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতে রপ্তানিতে আয় বেড়েছে ৩৪.৫৩ শতাংশ বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ মেয়াদে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৩ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ মেয়াদে হিমাহিত মাছ রপ্তানি করে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ কোটি ৩০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর এই সময়ে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৭.৮৪ শতাংশ বেশি।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, আগের তুলনায় মাছ রপ্তানি বেড়েছে। তাই এ খাতে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তাদের ধারণা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026