1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আইসিসির কাছ থেকে ‘সুখবর’ পেলেন সাকিবরা মাস্কোর সতর্কবার্তা: বিশ্বজুড়ে ‘রুশ নাগরিকদের শিকার’ করছে যুক্তরাষ্ট্র ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে ৮ জেলায় সাড়ে ১৮ হাজার আবেদন প্রতিবন্ধীদের ‘সর্বোচ্চ সহযোগিতার’ আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে সৌদির কাছে তথ্য চেয়েছে ঢাকা: শামা ওবায়েদ রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আচমকা প্রধানমন্ত্রী রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, দাম্মামের রুট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত প্রাথমিক থেকেই শিশুদের অভিন্ন পোশাক ও খাবার সরবরাহ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বৃদ্ধি ও সাংকেতিক ভাষা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী চান লালনের শিক্ষা স্কুলেও পৌঁছে যাক: জাহেদ উর রহমান

চাকরি হারালেন এসপি আলতাফ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২০ মে, ২০২২
  • ৩০৯ বার দেখা হয়েছে

চাকরি হারিয়েছেন পুলিশ সুপার (এসপি) আলতাফ হোসেন। সাড়ে পাঁচ বছর আগে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানায় ১২০ ভরি স্বর্ণ গায়েবের ঘটনায় গত বুধবার এই কর্মকর্তাকে অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।তিনি বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশের সিলেট অঞ্চলে দায়িত্বরত।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেনের সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর (খ) অনুযায়ী আনীত ‘অসদাচরণের’ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এই বিধিমালার ৪(৩) গ বিধি মোতাবেক গুরুতর দণ্ড হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হলো।

জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৩ জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সাতক্ষীরার এসপির দায়িত্বে ছিলেন আলতাফ হোসেন। ২০১৬ সালের ৬ অক্টোবর বিপ্লব চ্যাটার্জি নামের এক স্বর্ণ কারবারি আটক হন। তার কাছে ১২০ ভরি স্বর্ণ পাওয়া গিয়েছিল তখন। ওই ঘটনায় পাটকেলঘাটা থানায় স্বর্ণগুলোর জব্দ তালিকাও করা হয়। কিন্তু পরে স্বর্ণ চোরাচালানের মামলা না হয়ে ওই থানায় মাদকের মামলা রেকর্ড করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এসপি আলতাফ হোসেন স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনা মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সাজানোর বিষয়টি জানা সত্ত্বেও দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। এ বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তিনি অসত্য প্রতিবেদন পাঠান। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনাটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় ২০১৯ সালে আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। এরপর আলতাফ হোসেনের ব্যাখ্যাও নেওয়া হয়। পরে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আতাউল কিবরিয়া এ বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করেন। সেই তদন্তে এসপি আলতাফের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে দ্বিতীয় দফায় আলতাফ হোসেনের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

আলতাফ হোসেনের জবাব পর্যালোচনা করে তাকে চাকরি থেকে অপসারণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মতামত নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তার প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আলতাফ হোসেনের চাকরিচ্যুতির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026