1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

রাষ্ট্রপতির কাছে যাচ্ছে বার্ষিক প্রতিবেদন অর্থ পাচার তদন্তে ৭ ক্ষমতা চায় দুদক

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০২৩
  • ২৩৯ বার দেখা হয়েছে

দেশ থেকে প্রতিবছর অন্তত ৭১ হাজার কোটি টাকা পাচার হলেও তা প্রতিরোধ বা পাচার করা অর্থ ফেরত আনতে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অর্থ পাচার ঠেকাতে কার্যত ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে সংস্থাটি। কিন্তু দেশের দুর্নীতিবিরোধী একমাত্র স্বাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি কেন ব্যর্থ হচ্ছে-সে বিষয়টি নিজেদের প্রতিবেদনেই তুলে ধরা হয়েছে।

দুদক বলছে, তাদের হাতে অর্থ পাচারসংক্রান্ত ২৭টি অপরাধের মধ্যে মাত্র একটি অপরাধের তদন্ত ও অনুসন্ধানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তাও আবার ঘুস ও দুর্নীতি। যা বিধি অনুযায়ী এমনিতেই দুদকের করার কথা। এ ক্ষেত্রে সংস্থাটি মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচারসংক্রান্ত অপরাধ তদন্তের আওতার বাইরে রয়েছে। সেজন্য তারা অর্থ পাচারে জড়িত অপরাধীকে বিচারের মুখোমুখি করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি অর্থ পাচারসংক্রান্ত ৭টি সম্পৃক্ত অপরাধের অনুসন্ধান ও তদন্তের এখতিয়ার চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছে। রাষ্ট্রপতির কাছে দাখিলের জন্য প্রস্তুত করা ২০২২ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে দুদক তাদের এই সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে অর্থ পাচারে জড়িতদের ধরতে বাড়তি ক্ষমতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে একই সঙ্গে দেশের দুর্নীতির ভয়াবহতার চিত্রও তুলে ধরা হয়।

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহর স্বাক্ষরে এই প্রতিবেদন ২০ মার্চ রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের কাছে দাখিল করা হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্নীতির ভয়াবহতার সার্বিক চিত্র দেখে মনে হচ্ছে, সমাজে অবৈধ সম্পদ গড়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। এমনকি দুর্নীতির ব্যাপারে মানুষের মনোভাব ও সামাজিক অবস্থায়ও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আগে দুর্নীতিবাজদের সঙ্গে কেউ আত্মীয়তা করতে চাইত না। কিন্তু এখন মানুষের মর্যাদা নিরূপণ হয় অর্থের মাপকাঠিতে। যা অত্যন্ত হতাশার।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026