1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

বিশেষ সাক্ষাৎকার ডেঙ্গু পরিস্থিতি কী হবে তার পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। এমবিবিএস ডিগ্রি নেওয়ার পর জনস্বাস্থ্যে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। ডেঙ্গু নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করেন। চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি শিশির মোড়ল।

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩০৪ বার দেখা হয়েছে

প্রথম আলো: ডেঙ্গু নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে দুশ্চিন্তা দেখা যাচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে আতঙ্কও তৈরি হয়েছে। প্রায় সোয়া লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, সাত শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে আপনি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম: এটা ঠিক, ডেঙ্গু নিয়ে একধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। মানুষ জানতে পারছে, বিপুলসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, মৃত্যুও অতীতের চেয়ে বেশি।

তিনটি কারণে ডেঙ্গু বেশি ছড়াচ্ছে। এডিস মশার জন্য সবচেয়ে সহায়ক তাপমাত্রা ২৫ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীর তাপমাত্রা এই সীমার মধ্যে দেখা যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, রাজধানীতে জনঘনত্ব। এ কারণে সংক্রামক রোগ দ্রুত ছড়ায়। তৃতীয়ত, থেমে থেমে বৃষ্টির সঙ্গে এডিসের বৃদ্ধির সম্পর্ক আছে। প্রবল বৃষ্টিতে মশার ডিম ও লার্ভা ভেসে যায়। সেই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে না। রাজধানীর বিরাট এলাকা এখন মশার উর্বর প্রজননক্ষেত্র। এডিস মশা থাকলে মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবেই।

প্রথম আলো: আপনি যে পরিবেশ ও জনঘনত্বের কথা বললেন, তা তো কলকাতায়ও আছে। ঢাকা আর কলকাতার তাপমাত্রা, অবকাঠামো, জনসংখ্যা প্রায় একই। কলকাতায় কেন পরিস্থিতি ঢাকার মতো ভয়াবহ হলো না? অথবা আমরা কেন কলকাতার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারলাম না।

মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম: আমি তিন সপ্তাহ আগে কলকাতায় ছিলাম। সেখানে বারবার ঢাকার ডেঙ্গু পরিস্থিতির কথা মনে পড়েছে। ঢাকা ও কলকাতার আবহাওয়ার প্যারামিটারগুলো মোটামুটি কাছাকাছি। তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাতের ধরন একই। কলকাতায় ও ঢাকায় এডিস ইজিপটাই দেখা যায়।

দুই মহানগরের পার্থক্য নীতি, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও জনসম্পৃক্ততায়। কলকাতার নীতিনির্ধারকেরা ডেঙ্গুকে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখেছেন। সেই অনুসারে মশা নিয়ন্ত্রণ ও নিধনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। তাঁরা কাজটি করেন সারা বছর। নিয়ন্ত্রণের কাজের ওপর কড়া নজরদারি আছে। কোথাও পানি জমতে দেওয়া হয় না। পানি জমলেই দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ডেঙ্গু বড় সমস্যা, পানি জমানো উচিত নয়—এই বার্তা কলকাতাবাসীর মনে ভালোভাবে গেঁথে আছে। এ বিষয়ে ঢাকাবাসীর তুলনায় কলকাতার মানুষ অনেক বেশি সচেতন।

■ এডিসের সহায়ক তাপমাত্রা ২৫ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীর তাপমাত্রা এমনই।

■ এডিস মশা মৃদু সূর্যের আলোর দিকে যেতে চায়। সকাল-সন্ধ্যায় এরা সক্রিয় থাকে।

■ উলবাকিয়ার মতো মশা ব্যবহার করে এডিস মশার প্রজননক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

■ আগামী এক-দেড় মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপই থাকবে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026