1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

৪২ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩০০ কোটি টাকার অনিয়ম

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ২৪৬ বার দেখা হয়েছে

স্থাপনা নির্মাণে লঙ্ঘিত সরকারি বিধিবিধান। কেনাকাটা ও দরপত্রে মানা হয়নি নিয়ম। এক খাতের টাকা ব্যয় হয়েছে অন্য খাতে। ঘটেছে অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন ও বিধিবহির্ভূতভাবে ভাতা প্রদানের ঘটনা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অর্থ ব্যয়ে এ ধরনের অসংখ্য অনিয়ম ও অসংগতি উঠে এসেছে নিরীক্ষায়। সেসব অনিয়মের কারণে দেশের ৪২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার অডিট আপত্তি দিয়েছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর, যা উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে।

মোট ৬২০ অডিট আপত্তির মাধ্যমে এ অনিয়মের তথ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের অধীন শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর। অডিট আপত্তিগুলোও দুই ধরনের। এর একটি সাধারণ, অন্যটি অগ্রিম।

শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অডিট আপত্তিগুলো দেওয়া হয়েছে, তার অধিকাংশই গুরুতর আর্থিক অনিয়ম, যা ধরন হিসেবে অগ্রিম উল্লেখ করা হয়েছে। এ আপত্তিগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এ ক্ষেত্রেও একই ধরনের সুপারিশ করেছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, অডিট আপত্তিগুলো নিয়ম অনুযায়ী ইউজিসিতে পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউজিসির মাধ্যমে ব্রড শিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আপত্তির জবাব দেয়। এরপর প্রয়োজনীয় দালিলিক প্রমাণ পেলে আপত্তিগুলো নিষ্পত্তি করা হয়। নাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026