1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মেসিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে যা বললেন রোনালদো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ২০২৬: বিদেশনির্ভরতা ও চিকিৎসা ব্যয় কমার আশা মাগুরায় কুমড়ো ফুল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন গৃহিণীরা মেসির বিদায়ী পোস্টের কমেন্টে যা লিখলেন রোনালদো দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বাধা দূর করতে আলোচনায় বসছে ঢাকা-দিল্লি ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে উন্নতি কেবল পর্তুগালেরই আন্তর্জাতিক বিরতি: মেসির বিদায়, রোনালদোর নির্বাসন থেকে বাংলাদেশের দুর্দশা বাংলাদেশের অটোমোবাইল শিল্পে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল টয়োটা সুপ্রিম কোর্টে রাতে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

এক সপ্তাহেই বাড়ল ১২ পণ্যের দাম

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৭৯ বার দেখা হয়েছে

নিত্যপণ্যের দামের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। চাল, আটা, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল থেকে শুরু করে এমন কোনো নিত্যপণ্য নেই, যার দামে স্বস্তি আছে।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, এক সপ্তাহে, অর্থাৎ ৭ থেকে ১৪ অক্টোবরের মধ্যে ১২টি নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এ তালিকায় রয়েছে সয়াবিন তেল, পাম তেল, চালের কুঁড়ার তেল বা রাইস ব্র্যান অয়েল, আলু, ছোলা, পেঁয়াজ, রসুন, জিরা, দারুচিনি, ধনে, গরুর মাংস ও ডিম।

ডিমের দাম নতুন করে বেড়েছে ডজনপ্রতি ১২ টাকা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দাম উঠেছে ডজনপ্রতি ১৮০–২০০ টাকায়। দর কমাতে বাজারে অভিযান শুরুর পর ডিম বিক্রিই বন্ধ রেখেছে কিছু কিছু আড়ত। এতে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক বাজারে ডিমই পাওয়া যাচ্ছে না।

খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১ টাকা বেড়েছে এক সপ্তাহে। এ নিয়ে এক মাসে বাড়ল ৪ টাকা। আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা, পেঁয়াজ ৫ টাকা এবং গরুর মাংসের দাম কেজিপ্রতি ৫০ টাকা বাড়তি।

 

টিসিবির তালিকায় শাকসবজির দাম উল্লেখ থাকে না। যদিও এখন বাজারে সবচেয়ে চড়া দাম শাকসবজির। একেকটি শাকের আঁটি এখন ৩০-৫০ টাকা। বেশির ভাগ সবজির কেজি ৮০ টাকা থেকে শুরু। কোনো কোনো সবজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি।

টিসিবির হিসাবে, এক সপ্তাহে সাতটি নিত্যপণ্যের দাম কিছু কিছু কমেছে। এর মধ্যে রয়েছে মসুর ডাল, মুগ ডাল, আদা, এলাচি, খাসির মাংস, দেশি মুরগি ও চিনি। এসব পণ্যের দাম আগেই অনেক চড়া ছিল। ফলে সামান্য কমলেও তাতে স্বস্তি ফেরেনি।

দাম কমাতে সরকার কিছু পণ্য আমদানি ও শুল্ক–কর কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এর সুফল কতটা পাওয়া যাবে, সেই প্রশ্ন রয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, আমদানি ও শুল্ক কমানোর পদক্ষেপগুলো নিতে দেরি করে ফেলেছে সরকার। বাজার পরিস্থিতি সামলাতে নতুন সরকারকে শুরু থেকেই উদ্যোগী হওয়া দরকার ছিল। যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সুফল যাতে পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে নজরদারি থাকতে হবে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026