1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আমেরিকান তরুণদের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের দর্শকসংখ্যা বেড়েছে ‘২০ শতাংশ’ মক্কা চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে সেনা মোতায়েন করবে তুরস্ক, পাকিস্তান এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একই স্থানে দুই দুর্ঘটনা, নিহত ১ নোবেল ইতিহাসে ক্যুরি পরিবারের অনন্য রেকর্ড শাহজালালে ৩ যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দ জোয়ারের সঙ্গে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই করে টিকে থাকে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীরা দেশের ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএম সেবা বন্ধ, জানে না বাংলাদেশ ব্যাংক বিদায়ী ম্যাচে মেসির সামনে বিশ্ব রেকর্ডের হাতছানি

মশায় অতিষ্ঠ ঢাকাবাসী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫
  • ১৭৯ বার দেখা হয়েছে

গুলশানের লেকপাড় এলাকার বাসিন্দা নাহিদ হাসান একটি অ্যাপার্টমেন্টের ছয়তলায় থাকেন। সেখানে মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। বললেন, ‘মশা দিনের বেলায়ও গুনগুন করে। ছয়তলার ফ্ল্যাটে দরজা-জানালা বন্ধ করলেও মশার যন্ত্রণায় দিনের বেলায় স্প্রে করতে হয়। তার পরও মশার গান থামে না।’

পল্লবীর রূপনগর এলাকায় মুদি দোকান করেন মফিজুর রহমান। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। সমকালকে তিনি বলেন, ‘সকালে দোকান খোলার সঙ্গে সঙ্গে কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। তার পরও নিস্তার নেই। অবস্থাটা এমন, যেন কয়েলের ওপরেই মশা বসে থাকে।’

পল্লবীর আরেক বাসিন্দা বিকাশ চন্দ্র রায় বলেন, বিকেল হতেই মশা জেঁকে বসে। সাততলার ওপরেও মশা। মশক কর্মীদের এখন তেমন দেখাই যায় না।

বস্তি এলাকার চিত্র আরও খারাপ। কড়াইল বস্তির রাসেল মিয়া বলেন, ‘শীত শেষ হতেই মশার যন্ত্রণা বেড়েছে। দিনে মশা। যখন সাহ্রি খাইতে উঠি, তখনও মশা। বস্তিতে তো কয়েল সব সময় লাগানো যায় না; কখন কী হয়! তাই ঘরে থাকলে মশারির মধ্যেই থাকতে হয়।’

রাজধানীর অধিকাংশ এলাকার চিত্র এমনই। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর, মাণ্ডা, মুগদাপাড়া, খিলগাঁও, পুরান ঢাকার কিছু এলাকা, মিরপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আদাবর ও রামপুরার পরিস্থিতি বেশি খারাপ।

রাজধানীতে ভয়াবহভাবে মশার উৎপাত বাড়লেও দুই সিটি কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। কার্যকর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ নগরবাসীর। রাজধানীর মালিবাগ এলাকার গুলবাগের বাসিন্দা রোকন মিয়া বলেন, ‘আগে মশার ওষুধ না দিলে কাউন্সিলর অফিসে যাইতাম। এখন মশার ওষুধ দেয় না। কোথায় যাব, সেটাও জানা নাই।’
মিরপুরের বাসিন্দা দিদার একই কথা বললেন, ‘আগে প্রতি সপ্তাহে মশার ওষুধ ছিটানো হতো। কিন্তু এখন নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে না।’’বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026