1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার বাংলাদেশে পার্টনার স্কুলগুলোর সাফল্য ও উদ্ভাবনের স্বীকৃতি দিল ব্রিটিশ কাউন্সিল যথাযথ দ্বিপাক্ষিক কাঠামোয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নাকচ করেননি প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে

হাইওয়েতে ছিল না পুলিশ ৪০ কিলোমিটার ধাওয়া করে বাস চালককে মারধর

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৩৮ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

 

মোটরসাইকেলকে পাশ না দেওয়ায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাওয়া করে মোটরসাইকেলসহ একদল তরুণ। এক পর্যায়ে ওই তরুণেরা বাসটির চালকের ওপর হামলাও করে। গত সোমবার মধ্যরাতে একুশে পরিবহনের যাত্রীবাহী ওই বাস ঢাকা থেকে নোয়াখালীতে যাচ্ছিল। কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা পার হলে ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে করে একদল তরুণ বাসটির অনুসরণ শুরু করেন। প্রায় ৪০ কিলোমিটার বাসটিকে ধাওয়া করে তারা।

 

মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া করা তরুণদের ছোড়া ইটের আঘাতে গুরুতর আহত একুশে পরিবহনের বাসচালক মো. সোহেল নোয়াখালীর মাইজদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে দীর্ঘ ৪০ কিলোমিটার হাইওয়েতে কোনো টহল পুলিশ না থাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে পুলিশ। তারা এই রুটের বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কাজ করছে। শনিবার পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। বাসযাত্রীদের অভিযোগ, দীর্ঘ ৪০ কিলোমিটার এলাকায় কোনো হাইওয়ে পুলিশকে পাওয়া যায়নি। যা ছিল সাধারণ যাত্রীরা আশা করেননি।

মাইজদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ শনিবার বলেন, সোহেলের মাথা ও চোয়ালে ৩১টি সেলাই লেগেছে। ভেঙে গেছে নিচের পাটির দুটি দাঁত। তবে তার অবস্থা এখন উন্নতির দিকে।

 

বাসচালকের সহকারী মোহাম্মদ রাহাত সাংবাদিকদের বলেন, দুই দফায় ইটের আঘাত লাগে সোহেলের মাথায়। তবু তিনি থেমে যাননি। প্রথম আঘাতের পর তার মুখ থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। কিন্তু যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে তারা বাস চালিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনা এড়াতে পথে কোনো যাত্রীকে নামতে দেইনি। বাসটি সরাসরি নোয়াখালীর সুধারাম থানার সামনে গেলে সব যাত্রী দ্রুত থানায় ঢুকে পড়েন।

বাসমালিক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর সুধারাম মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে যান তিনি। কিন্তু থানা থেকে সোনাইমুড়ী থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সোনাইমুড়ী থানা থেকে আবার লাকসাম থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

 

হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. খায়রুল আলম বলেন, হামলাকারীরা ডাকাত নন। ঘটনাস্থলের একটি দোকানের সামনের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার (সিসি) ফুটেজে দেখা গেছে, ঈদের দিন সোমবার রাতে দোকানের সামনে একদল তরুণ ঈদ উদ্‌যাপন করছে। এ সময় তাদের মোটরসাইকেলকে সাইড না দিয়ে একুশে পরিবহনের বাসটি চালানো হচ্ছিল। তারা বাসটি থামাতে চাইলে বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে যেতে থাকেন চালক। এ অবস্থায় ৮-১০টি মোটরসাইকেল আরোহীরা বাসটি ধাওয়া করেন। মামলার বিষয়ে মো. খায়রুল আলম বলেন, হাইওয়ে পুলিশের মামলা নেওয়ার কিংবা তদন্ত করার ক্ষমতা নেই। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল ফারুক বলেন, এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। পরে আপডেট জানাব। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026