1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যথাযথ দ্বিপাক্ষিক কাঠামোয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নাকচ করেননি প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যাংক বন্ধ নয়, সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চলছে: বাংলাদেশ ব্যাংক

যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই এখন প্রধান সংবাদ উৎস: গবেষণা প্রতিবেদন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫
  • ১৭৩ বার দেখা হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

 

আমেরিকায় এখন আর মূলধারার টেলিভিশন চ্যানেল বা খবরের ওয়েবসাইট নয়, বরং ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স (আগে টুইটার)-এর মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই হয়ে উঠেছে প্রধান সংবাদ উৎস—এমন তথ্য উঠে এসেছে রয়টার্স ইনস্টিটিউটের এক সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে।

গবেষণায় দেখা গেছে, এখন আমেরিকার ৫৪ শতাংশ মানুষ সংবাদ পান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভিডিও প্ল্যাটফর্ম থেকে। টেলিভিশনের মাধ্যমে খবর পাওয়ার হার ৫০ শতাংশ, আর ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে খবর পড়েন ৪৮ শতাংশ।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ‘ব্যক্তিনির্ভর ও ভিডিওভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের উত্থান শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই হচ্ছে না—তবে দেশটিতে পরিবর্তনের গতি তুলনামূলকভাবে বেশি এবং এর প্রভাবও অন্যান্য দেশের চেয়ে গভীর।’

সবচেয়ে প্রভাবশালী সংবাদ ব্যক্তিত্ব জো রোগান

যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি দেখা সংবাদ বা মতামত প্রদানকারী ব্যক্তিত্ব হিসেবে উঠে এসেছে পডকাস্টার জো রোগানের নাম। গত সপ্তাহে অন্তত একবার তার উপস্থাপিত কোনো খবর বা বিশ্লেষণ দেখেছেন—এমনটা বলেছেন ২২ শতাংশ মার্কিন নাগরিক।

ঐতিহ্যবাহী গণমাধ্যমের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ

গবেষক নিক নিউম্যান মনে করেন, ভিডিও ও ব্যক্তিনির্ভর সংবাদ কনটেন্টের জনপ্রিয়তা ঐতিহ্যবাহী সংবাদ সংস্থাগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনটি আরও বলছে, এখন অনেক রাজনীতিবিদ মূলধারার কঠিন প্রশ্নবিদ্ধ সাংবাদিকদের এড়িয়ে গিয়ে অনলাইন ‘বন্ধুভাবাপন্ন’ হোস্টদের সঙ্গে কথা বলছেন। এতে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর আশঙ্কাও বাড়ছে।

ভুল তথ্য ছড়ানোর বড় উৎস অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সাররা

গ্লোবাল জরিপে অংশ নেওয়া ৪৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন—রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সার ও ‘পার্সোনালিটিদের’ মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ায়।

‘এক্স’-এ ডানপন্থী ব্যবহারকারীর উত্থান

মাস্কের অধীনে ২০২২ সালে এক্স (সাবেক টুইটার) কিনে নেওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ডানপন্থী তরুণ ব্যবহারকারীদের অংশগ্রহণ তিনগুণ বেড়েছে। যুক্তরাজ্যেও এই প্রবণতা দ্বিগুণ হয়েছে।

তবে, এক্স-এর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত থ্রেডস, ব্লু-স্কাই, মাস্টোডনের মতো নতুন প্ল্যাটফর্মগুলো এখনো বিশ্বব্যাপী ২ শতাংশেরও কম মানুষ খবর পড়তে ব্যবহার করছেন—বলা হয়েছে প্রতিবেদনে।

গবেষণার অন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

টিকটক সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল সংবাদ প্ল্যাটফর্ম। বিশ্বজুড়ে ১৭% মানুষ এখন এটি দিয়ে সংবাদ দেখেন, যা গত বছরের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI) চ্যাটবটের মাধ্যমে সংবাদ পাওয়া দ্রুত বাড়ছে। ২৫ বছরের নিচের বয়সীদের মধ্যে এর ব্যবহার দ্বিগুণ।
তবে বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, AI সংবাদকে কম স্বচ্ছ, কম নির্ভরযোগ্য ও কম সঠিক করে তুলবে।
সব প্রজন্মের মানুষ এখনো বিশ্বাসযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডকেই গুরুত্ব দেন, যদিও তারা সেগুলো আগের মতো ঘন ঘন ব্যবহার করেন না।
রয়টার্স ইনস্টিটিউটের এই বার্ষিক প্রতিবেদনটি এ বছর ৪৮টি দেশে প্রায় ১ লাখ মানুষের ওপর জরিপ করে তৈরি করা হয়েছে। এটির এটি ১৪তম সংস্করণ।

 

সূত্র: বিবিসি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026