1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিল ভারত

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২৩৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাপেঁয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিল ভারত। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিজেদের রপ্তানি নীতি সংশোধন করে পেঁয়াজকে রপ্তানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় ঢুকিয়েছে। অন্যদিকে দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক দপ্তর আজ রোববার এক নির্দেশনায় জানিয়েছে, পরবর্তী নিদেশ না দেওয়া পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ থাকবে।

ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ছিল। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশটি রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত এল। এর আগে ভারত গত ১৩ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানিতে ন্যূনতম মূল্য টনপ্রতি ৮৫০ ডলারে বেঁধে দেয়। এক দিন পরে এ খবরে বাংলাদেশের বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০-৫৫ টাকায় ওঠে। এরপর থেকে দাম বাড়তে থাকে। ঢাকার বড় বাজারে এখন ভালোমানের দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা, দেশি কিং নামের এক ধরনের পেঁয়াজ ৭০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ৪৫ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছে। অন্যদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তিন দফা বৈঠক করেছে। সর্বশেষ বৈঠকে আমদানিকারকেরা জানিয়েছেন, মিসর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। তবে তা দেশে পৌঁছাবে আগামী মাসে।

দেশের পেঁয়াজের চাহিদা ও জোগানের কোনো সঠিক হিসাব নেই। ব্যবসায়ীদের ধারণা, প্রতি বছর চাহিদার ৬০-৭০ শতাংশ পেঁয়াজ দেশে হয়। বাকিটা আমদানি হয়। আমদানির প্রায় পুরোটুকুর উৎস ভারত। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে ২৩ লাখ ৩০ হাজার টন। পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, আমদানি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ ৯২ হাজার টন।

আজ বিকেলে পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী নারায়ণ চন্দ্র সাহা প্রথম আলোকে বলেন, ভারতের রপ্তানি বন্ধের খবর তখনো তাদের কাছে পৌঁছায়নি। পেঁয়াজের পাইকারি দর আগের দিনের চেয়ে একটু বেশি। তার তথ্য অনুযায়ী, শ্যামবাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ পাইকারি ৬০-৬২ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৫৫-৫৮ টাকা ও মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৫৪-৫৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। ভারতীয় ও মিয়ানমারের পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি তিন টাকার মতো বাড়তি। তিনি বলেন, মিসর ও তুরস্কের পেঁয়াজ এখনো দেশে পৌঁছায়নি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026