1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আমেরিকান তরুণদের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের দর্শকসংখ্যা বেড়েছে ‘২০ শতাংশ’ মক্কা চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে সেনা মোতায়েন করবে তুরস্ক, পাকিস্তান এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একই স্থানে দুই দুর্ঘটনা, নিহত ১ নোবেল ইতিহাসে ক্যুরি পরিবারের অনন্য রেকর্ড শাহজালালে ৩ যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দ জোয়ারের সঙ্গে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই করে টিকে থাকে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীরা দেশের ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএম সেবা বন্ধ, জানে না বাংলাদেশ ব্যাংক বিদায়ী ম্যাচে মেসির সামনে বিশ্ব রেকর্ডের হাতছানি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি: বরিশাল বিএনপিতে অনুপ্রবেশের অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৪ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে বরিশাল জেলা বিএনপিতে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দলের মিছিলে অনুপ্রবেশের অভিযোগ উঠেছে। খোদ দলের বিভিন্ন নেতার মধ্যে একাংশ অন্য অংশের বিরুদ্ধে এই অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষাপট ও দলের অভ্যন্তরীণ উত্তেজনার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তুমুল বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা এই প্রবণতাকে দলের জন্য ‘আশঙ্কাজনক’ হিসেবে দেখছেন।

অনুপ্রবেশের অভিযোগটি বিশেষভাবে জোরালো হয় গত বিজয় দিবসের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। জানা গেছে, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিগার সুলতানার দুই ভাই মাসুদ হাসান দুলাল ও জসিম উদ্দিন বিএনপির নির্বাচনী মিছিলে অংশ নেন। তারা সাবেক সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ অনুসারে, ৫ আগস্টের পর নগরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির নেতাদের আশ্রয়ে তারা দলীয় কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন।

এ বিষয়ে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব আমির খসরু বলেন, “তারা আগে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, পরে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তবে বিতর্ক সৃষ্টি হলে তাদের মিছিলে আর ডাকা হবে না।”

বরিশাল-৫ আসনের নেতা ও সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারী আনোয়ারুল হক তারিন মন্তব্য করেন, “যারা আওয়ামী লীগের লোক দলীয় মিছিলে ঢুকাচ্ছে, তাদের শনাক্ত করা প্রয়োজন। যারা দখলদার বা অপরাধীদের বিএনপির মিছিলে প্রবেশ করাচ্ছে, তাদের দায়ভার নেওয়া উচিত।”

নগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবিরও একই ধরনের মন্তব্য করেন। সম্প্রতি এক সভায় তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রভাব রয়েছে তাদের দলে নেওয়া উচিত নয়। যারা জুলাই আন্দোলনের সময় সহিংসতায় জড়িত ছিলেন, তারা এখন নির্বাচনী মিছিলে অংশ নিচ্ছে। যাদের নিজস্ব জনবল নেই, তারাই এই অনুপ্রবেশকারীদের দলীয় কার্যক্রমে যুক্ত করছে।”

এদিকে জেলা দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “আওয়ামী লীগের অনুগামী কখনো বিশ্বস্ত হয় না এবং তারা বিশ্বাসঘাতক হতে পারে। নগরের অধিকাংশ এলাকাতেই অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকে পড়েছে, যা দলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।”

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান এই অভিযোগগুলোকে তৃণমূল পর্যায়ের জন্য ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’ হিসেবে দেখছেন। তিনি জানান, নির্বাচনী মিছিলে ঢুকে আওয়ামী লীগ কর্মীরা নাশকতা চালিয়ে বিএনপির ওপর দায় চাপাতে পারে। এই কারণে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের দলীয় ফোরামে সতর্ক করা হবে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে বরিশাল-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং নির্বাচনী মিছিলে দলের নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য প্রভাবের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, দলের অভ্যন্তরীণ একীকরণের অভাব এবং অনুপ্রবেশকারীদের কার্যক্রম আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি ও কৌশলে প্রভাব ফেলতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026