1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ যেসব ব্যাংকের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম মামলা: সাবেক সেনাপ্রধান সাক্ষ্য দেবেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৭ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

সাবেক সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া সাবেক বিডিআর কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করবেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আরও জানা যায়, শতাধিক মানুষকে গুম করার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্য ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

জিয়াউল আহসানের আইনজীবী মনসুরুল হক ও নাজনিন নাহার আদালতে দাবি করেন, আসামির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাতে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ নেই। তারা ট্রাইব্যুনালের কাছে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান। 이에 বিপরীতে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে আসামি অভিযোগের সঙ্গে জড়িত। তিনি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আবেদন করেন। উভয়পক্ষের বক্তব্যের পর ট্রাইব্যুনাল ১৪ জানুয়ারি আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন।

এর আগে, গত ৪ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি করেন। তিনি অভিযোগের মধ্যে সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরেন।

প্রথম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে আটক সজলসহ তিনজন বন্দীকে জিয়াউল ও তার দল গাজীপুরের দিকে নিয়ে যান। ঢাকা বাইপাস সড়কে বিভিন্ন স্থানে তাদের চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, বরগুনার পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকা ও বলেশ্বর নদীর মোহনায় বন্দীদের হত্যাকাণ্ড পরিচালিত হতো। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গভীর রাতে ট্রলার বা নৌকায় বন্দীদের নদীর মাঝখানে নিয়ে গিয়ে মাথা বা বুকে বালিশ চাপিয়ে গুলি করা হতো এবং পরে পেট কেটে সিমেন্টের ব্লক বেঁধে লাশ পানিতে ফেলা হতো। এই পদ্ধতিকে ‘গেস্টাপো’ বা ‘গলফ’ কোডনামে পরিচালনা করা হতো। এতে সাবেক বিডিআর সদস্য নজরুল ইসলাম মল্লিক ও আলকাছ মল্লিকসহ কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছেন।

তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, বনদস্যু দমনের নামে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় হত্যা অভিযান পরিচালনা করা হতো। পূর্বে আটক বা গুম করা ব্যক্তিদের বনদস্যু হিসেবে সাজিয়ে গভীর রাতে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ দেখানো হতো। এসব অভিযানে র‍্যাবের বাছাই করা সদস্যরা অংশ নিতেন এবং অনেক ক্ষেত্রে জিয়াউল আহসান নিজেই উপস্থিত থাকতেন। অভিযোগে উল্লেখ আছে, ‘অপারেশন নিশানখালী’, ‘অপারেশন মরা ভোলা’ এবং ‘অপারেশন কটকা’ নামে তিনটি অভিযানে অন্তত ৫০ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

মামলার প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে আদালত প্রমাণ ও যুক্তি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পর্যায়ে বিচারিক সিদ্ধান্ত দেবেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026