1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ যেসব ব্যাংকের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের

দুই প্রজন্মের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে দোয়ালিয়া গ্রামে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০০ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম — জেলা প্রতিনিধি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার দোয়ালিয়া বড় মিজি বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) গভীর রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে সামছুন্নাহার বেগম (৭০) মারা গেছেন। পরের দিন শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তার দাফন অনুষ্ঠানের সময় মায়ের শোকে মৃত্যুবরণ করেন তার মেয়ে ফজিলাতুন্নেছা (৫০)। একই পরিবারের মা ও মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মৃত সামছুন্নাহার বেগম ওই বাড়ির মৃত ইউনুসের স্ত্রী। তার মেয়ে ফজিলাতুন্নেছা দীর্ঘদিন নিঃসন্তান ছিলেন এবং মায়ের সেবা করতেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ইউসুফ প্রধানীয়া সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ফজিলাতুন্নেছা মায়ের মৃত্যুর খবরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও শোকে হৃদরোগ বা স্ট্রোকের মতো একটি আকস্মিক ঘটনার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। ফজিলাতুন্নেছাকে মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, একই পরিবারের মা ও মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় দোয়ালিয়া গ্রামের মানুষরা গভীর শোকাহত। প্রতিবেশী শারমিন সুলতানা বলেন, “ফজিলাতুন্নেছার কোনো সন্তান ছিল না। তাই তিনি তার মায়ের প্রতি বিশেষভাবে দায়িত্বশীল ছিলেন। মায়ের মৃত্যুতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।”

স্থানীয় স্বজন এবং স্থানীয় ইউপি কর্মকর্তারা এই দুর্ঘটনাকে প্রাকৃতিক কারণে ঘটে যাওয়া একটি শোকাবহ ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। চিকিৎসকরা মানসিক চাপের সঙ্গে বার্ধক্যজনিত রোগ ও হৃদরোগের সংযোগ থাকতে পারে বলে জানান।

এ ঘটনায় দোয়ালিয়া গ্রামে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে শোক ও দুঃখের পরিবেশ বিরাজ করছে। একই পরিবারের দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিবেশীরা আতঙ্কিত এবং পরিবারের ক্ষতিপূরণ বা সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করছেন।

সামছুন্নাহার বেগম ও ফজিলাতুন্নেছার মৃত্যু স্থানীয় সমাজে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে, যেখানে বৃদ্ধ বয়সী ও একাকী মানুষদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং পরিবারের সহায়তার গুরুত্ব পুনঃপ্রসিদ্ধ হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026