1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে পেশাজীবী সংস্থাগুলোর যৌথ সম্মেলন বিশ্ব বসতি দিবসে সিলেটে পরিকল্পিত নগরায়নের আহ্বান ছেলেসহ দুদকের মামলায় শাজাহান খান গ্রেফতার

নির্মাতা-অভিনেত্রী আফসানা মিমির জন্মদিনে মানবিক উদ্যোগ ও নামকরণের গল্প

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১১১ বার দেখা হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক

নন্দিত নির্মাতা ও অভিনেত্রী আফসানা মিমি গত বছরের ২০ ডিসেম্বর ৫৭ বছরে পা রাখেন। জন্মদিনটি তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদযাপনের পাশাপাশি একটি মানবিক উদ্যোগের মধ্য দিয়ে স্মরণীয় করে তোলেন। ওই দিন তিনি ঢাকার ইস্কাটনের হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং সেখানে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুদের পরিবারের অজান্তেই কিছু উপহার প্রদান করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জন্মদিন উপলক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন না করে তিনি নীরবে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

জন্মদিনে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এমন উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি ঘনিষ্ঠজনদের মাধ্যমে জানা যায়। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, আফসানা মিমি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে ব্যক্তিগতভাবে যুক্ত থাকলেও সেগুলো প্রচারের বাইরে রাখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। জন্মদিনে নবজাতক শিশু ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগও তারই একটি উদাহরণ।

এদিকে সম্প্রতি একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে আফসানা মিমি তার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু অপ্রকাশিত তথ্য শেয়ার করেন। সেখানে তিনি নিজের নামকরণসংক্রান্ত একটি গল্প তুলে ধরেন, যা তার ভক্ত ও শ্রোতাদের মধ্যে আগ্রহের সৃষ্টি করে। তিনি জানান, শৈশবে ‘মিমি’ নামের একটি চকলেট তার খুব পছন্দ ছিল। সেই পছন্দ থেকেই নিজের ডাকনাম হিসেবে ‘মিমি’ নামটি তিনি নিজেই বেছে নেন এবং পরবর্তী সময়ে সেটিই তার পরিচিত নাম হয়ে ওঠে।

আফসানা মিমির জন্মনাম আফসানা করিম। পারিবারিকভাবে তার বড় বোন অ্যানির নামের সঙ্গে মিল রেখে তার ডাকনাম রাখা হয়েছিল ‘জুনি’। তবে পরিবারের সদস্যদের কাছে তিনি বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিলেন। তার বাবা আদর করে তাকে ‘মিম’ বলে ডাকতেন। সেই ‘মিম’ নাম থেকেই পরবর্তীতে তিনি নিজের আগ্রহে ‘মিমি’ নামটি নির্ধারণ করেন। পডকাস্টে তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই নিজের পছন্দ-অপছন্দ প্রকাশে তিনি স্বচ্ছ ছিলেন এবং নামের ক্ষেত্রেও সেই মনোভাবের প্রতিফলন ঘটে।

পডকাস্ট আলোচনায় তিনি বলেন, নিজের নাম নিজেই নির্ধারণ করার অভিজ্ঞতা তার কাছে একটি স্মরণীয় ঘটনা। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সাধারণত পরিবারই সন্তানের নাম চূড়ান্ত করে থাকে, তবে তার ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন ছিল। পরিবারের সদস্যরাও তার এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং সেই নামেই তাকে ডাকা শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘আফসানা মিমি’ নামটি তার পেশাগত পরিচয়ের সঙ্গে স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে যায়।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আফসানা মিমি অভিনয় ও নির্মাণ—উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। টেলিভিশন নাটক, চলচ্চিত্র ও ওয়েবভিত্তিক কনটেন্টে তার কাজ দর্শকমহলে পরিচিত। পাশাপাশি একজন নির্মাতা হিসেবে তিনি সামাজিক বাস্তবতা ও মানবিক গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করে আসছেন। তার ব্যক্তিগত জীবন ও কাজের দর্শনেও মানবিক মূল্যবোধের বিষয়টি বারবার উঠে আসে।

জন্মদিনে নবজাতক শিশুদের জন্য উপহার প্রদান এবং ব্যক্তিগত গল্প শেয়ার—এই দুটি ঘটনাই সাম্প্রতিক সময়ে তাকে ঘিরে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার এসব উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতা একজন শিল্পীর সামাজিক ভূমিকা এবং ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের স্বাধীনতার দিকটি তুলে ধরে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026