1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ যেসব ব্যাংকের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের

হাইকোর্ট বহুবিবাহ সংক্রান্ত ধারা বহাল রাখলেন, সালিশি অনুমতি বাধ্যতামূলক ঘোষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৭ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

হাইকোর্ট আদালত স্থায়ীভাবে ঘোষণা করেছেন যে, কোনো ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় সালিশি কাউন্সিলের লিখিত পূর্বানুমতি ব্যতীত আর কোনো বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যাবে না। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সংযুক্ত বেঞ্চ সম্প্রতি এই রায় দেন এবং পূর্বে জারি করা রুল বাতিল করেন।

২০২১ সালের ১৩ ডিসেম্বর মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর বহুবিবাহ সংক্রান্ত ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট দায়ের করা হয়। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি তার চলমান বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত নতুন বিবাহ করতে পারবে না এবং এমন অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠিত কোনো বিবাহ ১৯৭৪ সালের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেশন) আইন অনুযায়ী বৈধভাবে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

ধারায় আরও বলা হয়েছে, অনুমতির জন্য আবেদন প্রয়োজনীয় ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট নির্দিষ্ট দফতরে দাখিল করতে হবে, যেখানে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণ এবং বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সম্মতি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। আবেদন গ্রহণের পর, চেয়ারম্যান আবেদনকারী এবং বর্তমান স্ত্রীদের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে পারেন। সালিশি কাউন্সিল বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায্য মনে করলে প্রার্থিত আবেদন অনুমোদন করতে পারবে।

ধারায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আবেদন নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোনো পক্ষ পুনর্বিবেচনার জন্য সহকারী জজের নিকট আবেদন করতে পারবে, যাদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। এছাড়া, কোনো ব্যক্তি সালিশি অনুমতি ব্যতীত অন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে তাকে বর্তমান স্ত্রীর দাবিতে দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে এবং ব্যর্থ হলে এটি রাজস্ব আদায়যোগ্য হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় প্রকারের শাস্তি হতে পারে।

২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিবাহ ও পারিবারিক জীবনের বৃহৎস্বার্থে বহুবিবাহ আইন সম্পর্কিত নীতিমালা প্রণয়ন কেন প্রয়োজন, এবং স্ত্রীদের সম অধিকার নিশ্চিত না করে বহুবিবাহ অনুমোদন প্রক্রিয়া কেন অবৈধ হবে না তা জানতে রুল জারি করেন। চলমান শুনানির পর আদালত রুল খারিজ করে এবং বহুবিবাহ সংক্রান্ত ধারা বহাল রাখেন।

আইনজীবী ইশরাত হাসান জানান, এই রায়ের ফলে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর বহুবিবাহ সংক্রান্ত ধারা কার্যকর থাকবে। তবে, তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন।

বহুবিবাহ সংক্রান্ত এই রায় মুসলিম পারিবারিক আইন ও পারিবারিক সম্পর্কের নিয়ন্ত্রণে সালিশি কাউন্সিলের ভূমিকার গুরুত্ব পুনরায় প্রমাণ করে এবং বর্তমান স্ত্রীদের অধিকার সুরক্ষায় আইনগত নিয়মাবলী নিশ্চিত করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই রায় আইনশৃঙ্খলা ও পারিবারিক জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026