1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এনসিটি পরিচালনায় বিদেশিরা: বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী

যুক্তরাষ্ট্র–ভারত বাণিজ্যে নতুন শুল্ক হুমকি: ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে ২৫% অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৯ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যসম্পর্ক স্থাপনকারী দেশগুলোর ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন। এ ঘোষণার প্রভাবে মার্কিন বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভারতীয় পণ্যের শুল্ক আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

বর্তমানে ভারতের ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাজার অত্যন্ত বৃহৎ। ট্রাম্পের ঘোষণার আগে ভারতীয় পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক পারস্পরিক বাণিজ্যের জন্য এবং বাকি ২৫ শতাংশ রাশিয়ার তেল কেনার শাস্তি হিসেবে ধার্য করা হয়েছিল। এখন ইরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ হলে ভারতীয় পণ্যে মোট শুল্ক ৭৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

এর পাশাপাশি, ট্রাম্প ব্রিকস জোটভুক্ত দেশগুলোর ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। তিনি কৃষিপণ্যের ওপরও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যদিও এ সিদ্ধান্ত এখনও কার্যকর হয়নি।

ইরানে ভারত চাল, চা, চিনি, ওষুধি পণ্য, হাতে তৈরি পণ্য, বৈদ্যুতিক যন্ত্র এবং কৃত্রিম স্বর্ণালঙ্কার রপ্তানি করে। অপরদিকে ভারত ইরানে ড্রাই ফ্রুট, রাসায়নিক, কাচের জিনিসপত্রসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে। এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক দুই দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাণিজ্যের পাশাপাশি ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ রয়েছে ইরানের চাবাহার বন্দরে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, ২০২৫ সালে ভারতের জন্য ছয় মাসের জন্য বন্দরটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মুক্ত করার অনুমতি পেয়েছে। চাবাহার বন্দর ভারতের জন্য কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ বন্দরের মাধ্যমে ভারত আফগানিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পাদন করে, যা নতুন শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে প্রভাবিত হতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি ভারত চাবাহার বন্দরে কার্যক্রম চালু রাখতে না পারে, তাহলে দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে সরাসরি ট্রেড রুটে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে ভারতীয় নীতি নির্ধারকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নীতির সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবেলা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব কেবল ভারত নয়, বরং ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য অন্যান্য দেশগুলোকেও আর্থিক চাপের মুখে ফেলতে পারে। এ অবস্থায় ভারতকে সম্ভাব্য শুল্ক বৃদ্ধি ও বৈদেশিক বিনিয়োগের প্রভাবের বিষয়ে কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

এই পরিবর্তন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিবেশে ভারতের অবস্থান, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। এছাড়া চাবাহার বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং রপ্তানি–আমদানি নীতির পুনঃমূল্যায়নও প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026