1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ যেসব ব্যাংকের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের

নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরীতে বিএনপি নেতা ও জলমহাল দখল সংক্রান্ত অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৬ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুর রউফ স্বাধীনসহ পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে স্থানীয় বাজার ও জলমহাল থেকে কোটি টাকার চাঁদাবাজি ও দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) লিখিতভাবে এই বিষয়ে দলের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। স্থানীয়ভাবে এই পাঁচ নেতার গ্রুপকে ‘সুপার ফাইভ বাহিনী’ নামে ডাকা হয়।

অভিযোগকারীরা জেলা খালিয়াজুরী উপজেলার বল্লী গ্রামের মো. আক্তারুজ্জামান চৌধুরী এবং মোহনগঞ্জ উপজেলার কলুংকা গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম খান। তারা উভয়ই নিজেদের বিএনপির সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রুপের অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি ইদ্রিছ আলী মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুজ্জামান তরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা জিয়া উদ্দিন এবং চাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলকাছ মিয়া।

অভিযোগ অনুযায়ী, এই গ্রুপ দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে জলমহাল, ফিসারী, বাজার ইজারা, টেন্ডার এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে চলছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় এক কোটি টাকার চাঁদা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। গ্রুপটি খালিয়াজুরী উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরকেও চাঁদাবাজির আওতায় রাখছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, উপজেলার রানীচাপুর, মরানদী, চুনাই, ধনুনদী, রৌয়াদিঘা ও নাজিরপুর-মুরাদপুর অঞ্চলের জলমহালগুলো বর্তমানে ‘সুপার ফাইভ বাহিনী’-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আক্তারুজ্জামান চৌধুরী ও জাহাঙ্গীর আলম খান জানান, তারা রানীচাপুর ফিসারীতে ২৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন, যার মধ্যে বাঁশ-কাঠ দিয়ে মাছের আশ্রয়স্থল তৈরি, নৌকা কেনা ও পাহারাদারের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত। তবে সম্প্রতি গ্রুপের লোকজন হামলা চালিয়ে তাদের ফিশারি থেকে উচ্ছেদ করেছে। তারা প্রশাসনকে অবহিত করলেও কোনও প্রতিকার পাননি।

অন্য ভুক্তভোগী সৈয়দ মিনহাজ উদ্দিন হুসাইন জানান, মরানদী ফিসারীর ৫০ ভাগ শেয়ার তার নামে রয়েছে, যেখানে ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। মাছ ধরার সময় ওই ফাইভ স্টার গ্রুপের একজন নেতা জলমহাল দখল করেছেন এবং হুমকি দিয়েছেন। তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন, তবে পুলিশ ও প্রশাসন থেকে সমাধান পাননি।

অভিযুক্ত উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ স্বাধীন অভিযোগ শুনেছেন এবং বলেছেন, “অভিযোগটি তদন্ত করা হোক। যদি আমি দোষী হই, স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করব; যদি দোষী না হই, তাহলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।” তিনি আরও জানান, এই ঘটনা দুটি পক্ষের মধ্যে জলমহাল ইজারার বিরোধের ফলাফল এবং অভিযোগকারীরা প্রতিপক্ষকে ক্ষতি করতে চেয়েছিল।

জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল হক জানান, অভিযোগ সম্পর্কে তার জানা নেই। কেন্দ্র থেকে কোনো তথ্য প্রদান করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে জলমহাল ও ফিসারী ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজি সংক্রান্ত বিরোধগুলোকে কেন্দ্র করে। প্রশাসনিক এবং দলের অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে তদন্ত ও প্রয়োগযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘর্ষের পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026