1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ যেসব ব্যাংকের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের

কুমিল্লায় হত্যা মামলার তিন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৯০ বার দেখা হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় হত্যা মামলার তিনজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ সীমান্তসেবা বাহিনী (বিজিবি)। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সীমান্ত পিলার ২০৪৯/৭-এস এর শূন্য লাইন থেকে প্রায় ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুটিয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মো. সাইদুর রহমান (২৪) ও শাফিউল জান্নাত ওরফে সিয়াম (১৯), যারা বুড়িচং উপজেলার জগতপুর গ্রামের মো. সবুজ মিয়ার ছেলে। তৃতীয় আসামি শাহারিয়ার নাজিম জয় (১৯) কুমিল্লা সদর উপজেলার বাঁশমঙ্গল গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে।

বুড়িচং থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিনজনই জগতপুর (নাগরবাড়ি) গ্রামের মৃত জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে ফাহিমা আক্তার আখি (২৩) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এই ঘটনার পর বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর আসামিদের বুড়িচং থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জিয়াউর রহমান জানান, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান চালানো হয়। এই ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

বিজিবি জানায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। ঘটনার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এই ধরনের অভিযান স্থানীয় জনগণ এবং সীমান্ত সুরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

এ ঘটনায় পুলিশ আরও তদন্ত চালিয়ে আসামিদের সঙ্গে অন্য কোনও সহযোদ্ধা বা সহযোগী সংযুক্ত রয়েছে কিনা তা যাচাই করছে। আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদেরকে বিচারিক কাঠামোর আওতায় আনা হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026