1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এনসিটি পরিচালনায় বিদেশিরা: বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী

ইরাকের সামরিক ঘাঁটি এখন সম্পূর্ণরূপে ইরাক সেনার নিয়ন্ত্রণে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনারা প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া এই ঘাঁটিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন অন্যান্য দেশের সেনারাও অবস্থান করছিল। ঘাঁটি ছাড়ার পর এটি পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরাক সেনাবাহিনী।

ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরাকি সেনাবাহিনীর এক কর্নেল জানান, বর্তমানে ঘাঁটিতে অল্প কয়েকজন বিদেশি সেনা আছেন, যারা কেবল লজিস্টিক কাজের জন্য অবস্থান করছেন এবং কাজ শেষ হওয়ার পর তারাও চলে যাবেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি।

আইন আল-আসাদ ঘাঁটি ইরাকের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত। ২০২০ সালে বাগদাদে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ঘাঁটিতে অবস্থান করেছিল। একই বছরের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে ইরান ঘাঁটিতে বিপুল মিসাইল হামলা চালায়, যা ঘাঁতিকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং তখন সেখানে থাকা মার্কিন সেনাদের মধ্যে মানসিক চাপের ঘটনা দেখা দিয়েছিল।

২০২৪ সালে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ার অংশ। চুক্তি অনুযায়ী ধাপে ধাপে মার্কিন সেনারা ঘাঁটি ত্যাগ করছে। এ ধরনের প্রত্যাহার সংক্রান্ত পূর্বাভাসে জানা যায়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে কয়েকশ সেনা ঘাঁটি ত্যাগ করবে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঘাঁটি খালি করা হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই প্রত্যাহার ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার একটি অংশ। ইরাকের সামরিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ঘাঁটি পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ফলে দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পর্কের ইতিহাসে আইন আল-আসাদ ঘাঁটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের দীর্ঘকালীন উপস্থিতি ইরাকি নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত ইরান-পারিপার্শ্বিক প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এবং নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জও ভবিষ্যতে ইরাকের নীতি ও সামরিক পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026