1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের সুনামগঞ্জে ওলামাদের আপত্তিতে মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা গফরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধতা নিয়ে সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৯ বার দেখা হয়েছে

 

আইন আদালত ডেস্ক

একজন সচেতন নাগরিক ও ভোটার মো. মামুন হাওলাদার প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন যে, দ্বৈত নাগরিকত্বধারী প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার পরিপন্থী।

আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী (ধারা ৬৬(গ) ও ৬৬(২ক)) কোনো বিদেশি নাগরিক বা দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি আইনগতভাবে বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন কমিশন শুধু নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন দাখিল করা প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করছে, যা সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার বিপরীতে।

আবেদনকারীর উল্লেখ, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ রিট পিটিশন নং ১৬৪৬৩/২০২৩ মামলায় আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিদেশি নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হবেন; কেবল আবেদন করাই যথেষ্ট নয়।” এই আদেশ বর্তমানে আপিল বিভাগে বহাল রয়েছে।

আবেদনকারীর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের কাছ থেকে এফিডেভিট আকারে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করছে, যা আইন লঙ্ঘন এবং আপিলে দেওয়া আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন গ্রহণ করছে। এ প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী কমিশনের এখতিয়ারের বাইরে।

আবেদনকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ বলেন, “বিদেশি নাগরিকত্ব আইনগতভাবে বাতিল না হওয়া পর্যন্ত কেউ সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হতে পারেন না। সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কেবল প্রক্রিয়াধীন আবেদনকে ভিত্তি করে মনোনয়ন বৈধ করা সংবিধান লঙ্ঘন এবং জনগণের আস্থা নষ্টের শামিল। কমিশন কোনোভাবেই আদালতের ঊর্ধ্বে অবস্থান নিতে পারে না।” তিনি আরও বলেন, আপিলে দেওয়া আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন গ্রহণ করা কমিশনের আইনগত এখতিয়ারের বাইরে এবং এমন সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জযোগ্য হতে পারে।

আবেদনকারীর দিক থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিকট অনুরোধ করা হয়েছে, সংবিধান, প্রযোজ্য আইন এবং সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুসারে দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত সব আপিল ও মনোনয়ন প্রক্রিয়ার দ্রুত ও সঠিক নিষ্পত্তির জন্য জরুরি হস্তক্ষেপ গ্রহণ করতে।

এই অভিযোগটি নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং সংবিধান অনুযায়ী প্রার্থীদের যোগ্যতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, আইন অনুসারে প্রার্থীদের বৈধতা যাচাই ও কমিশনের কর্তৃত্বের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দায়িত্ব ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর প্রশ্ন উঠতে পারে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি কমিশন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা উপেক্ষা করে চলমান প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে, তা শুধু সংবিধান লঙ্ঘন নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জনগণের আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে, এই পরিস্থিতি ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যকার ক্ষমতা ও দায়িত্ব বন্টনের জটিলতা বাড়াতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026