1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে’ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ যেসব ব্যাংকের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা স্থানীয়দের দাবির মুখে সুনামগঞ্জে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত মেসিকে গোল ‘উপহার দেবেন না’ বেনিন গোলরক্ষক শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী দিরাইয়ে ওলামাদের বাধায় মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন সাফ, ডেটা সেন্টার নিয়ে ফিনল্যান্ডে বির্তকে গুগল ভারতকে ‘ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান’, সাবেকদের টুর্নামেন্টে খেলা হচ্ছে না আফ্রিদি-আমিরদের

কর্মস্থল ত্যাগ এবং দেরিতে উপস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন কাটা হবে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২১৭ বার দেখা হয়েছে

সরকারি কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে হবে। এখন থেকে অননুমোদিত অনুপস্থিতি ও কর্মস্থল ত্যাগ এবং দেরিতে উপস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন কাটা হবে। সরকারি চাকরিজীবীদের কর্মস্থলে সময়মত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা-২০১৯’ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়। এতে আরও বলা হয়-এই বিধিমালা জারির পর এ সংক্রান্ত ১৯৮২ সালের এক্সিকিউটিভ ইনস্ট্রাকশন এবং ১৯৮৯ সালের এসআরও (নং-১৫৪) বিলুপ্তি হবে বলে গণ্য হবে। তবে কোনো কার্যক্রম অনিষ্পন্ন থাকলে তা এ ইনস্ট্রাকশন এবং এসআরও দিয়ে নিষ্পন্ন করা যাবে।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর আলোকে জারি করা এই নতুন বিধিমালায় বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ এবং দেরিতে কর্মস্থলে উপস্থিতির দণ্ডের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে বলা হয়েছে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতে পারবেন না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে যুক্তিসঙ্গত কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে অনুপস্থিত কর্মচারীর প্রতিদিনের অনুপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে। বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগের অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়েছে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী অফিস চলাকালীন অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে এরূপ প্রতিক্ষেত্রের জন্য মুক্ত কর্মচারীর একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে।

তবে জরুরি প্রয়োজনে, কোনো সহকর্মীকে অবগত করে অফিস ত্যাগ করা যাবে। এই বিধিমালার তফসিল অনুযায়ী সংরক্ষিত রেজিস্টারের এরূপ অবস্থানের কারণ সময় এতে উল্লেখ করতে হবে।

বিলম্বে কর্মস্থলে উপস্থিতির বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে প্রতিদিনের বিলম্বে উপস্থিতির জন্য একদিনের সমপরিমাণ মূল বেতনের অর্থ কর্তন করতে পারবে।

আর অপরাধের পুনরাবৃত্তি দণ্ডে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী ৩০ দিনের মধ্যে একাধিকবার এসব অননুমোদিত কাজ করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সর্বোচ্চ সাতদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে।

অপরাধ করলে দণ্ড পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে বিধিমালায়। এ বিষয়ে বলা হয়েছে- এসব অপরাধের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন কর্তন করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবেন।

পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হলে আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শুনানির জন্য যুক্তিসঙ্গত সময় দিয়ে হাতের সংশোধন বাতিল বা বহাল রাখতে পারবে।

পুনর্বিবেচনার আবেদনের ক্ষেত্রে শুনানির সংক্ষিপ্তসার, প্রাপ্ত তথ্য এবং সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে। দণ্ডের অর্থ কর্তন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের মাসিক বেতন থেকে কর্তন করে আদায় করতে হবে।

সরকারি কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে হবে। এখন থেকে অননুমোদিত অনুপস্থিতি ও কর্মস্থল ত্যাগ এবং দেরিতে উপস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন কাটা হবে। সরকারি চাকরিজীবীদের কর্মস্থলে সময়মত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা-২০১৯’ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়। এতে আরও বলা হয়-এই বিধিমালা জারির পর এ সংক্রান্ত ১৯৮২ সালের এক্সিকিউটিভ ইনস্ট্রাকশন এবং ১৯৮৯ সালের এসআরও (নং-১৫৪) বিলুপ্তি হবে বলে গণ্য হবে। তবে কোনো কার্যক্রম অনিষ্পন্ন থাকলে তা এ ইনস্ট্রাকশন এবং এসআরও দিয়ে নিষ্পন্ন করা যাবে।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর আলোকে জারি করা এই নতুন বিধিমালায় বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ এবং দেরিতে কর্মস্থলে উপস্থিতির দণ্ডের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে বলা হয়েছে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতে পারবেন না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে যুক্তিসঙ্গত কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে অনুপস্থিত কর্মচারীর প্রতিদিনের অনুপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে। বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগের অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়েছে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী অফিস চলাকালীন অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে এরূপ প্রতিক্ষেত্রের জন্য মুক্ত কর্মচারীর একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে।

তবে জরুরি প্রয়োজনে, কোনো সহকর্মীকে অবগত করে অফিস ত্যাগ করা যাবে। এই বিধিমালার তফসিল অনুযায়ী সংরক্ষিত রেজিস্টারের এরূপ অবস্থানের কারণ সময় এতে উল্লেখ করতে হবে।

বিলম্বে কর্মস্থলে উপস্থিতির বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে প্রতিদিনের বিলম্বে উপস্থিতির জন্য একদিনের সমপরিমাণ মূল বেতনের অর্থ কর্তন করতে পারবে।

আর অপরাধের পুনরাবৃত্তি দণ্ডে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী ৩০ দিনের মধ্যে একাধিকবার এসব অননুমোদিত কাজ করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সর্বোচ্চ সাতদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে।

অপরাধ করলে দণ্ড পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে বিধিমালায়। এ বিষয়ে বলা হয়েছে- এসব অপরাধের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন কর্তন করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবেন।

পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হলে আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শুনানির জন্য যুক্তিসঙ্গত সময় দিয়ে হাতের সংশোধন বাতিল বা বহাল রাখতে পারবে।

পুনর্বিবেচনার আবেদনের ক্ষেত্রে শুনানির সংক্ষিপ্তসার, প্রাপ্ত তথ্য এবং সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে। দণ্ডের অর্থ কর্তন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের মাসিক বেতন থেকে কর্তন করে আদায় করতে হবে।

সরকারি কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে হবে। এখন থেকে অননুমোদিত অনুপস্থিতি ও কর্মস্থল ত্যাগ এবং দেরিতে উপস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন কাটা হবে। সরকারি চাকরিজীবীদের কর্মস্থলে সময়মত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা-২০১৯’ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়। এতে আরও বলা হয়-এই বিধিমালা জারির পর এ সংক্রান্ত ১৯৮২ সালের এক্সিকিউটিভ ইনস্ট্রাকশন এবং ১৯৮৯ সালের এসআরও (নং-১৫৪) বিলুপ্তি হবে বলে গণ্য হবে। তবে কোনো কার্যক্রম অনিষ্পন্ন থাকলে তা এ ইনস্ট্রাকশন এবং এসআরও দিয়ে নিষ্পন্ন করা যাবে।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর আলোকে জারি করা এই নতুন বিধিমালায় বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ এবং দেরিতে কর্মস্থলে উপস্থিতির দণ্ডের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে বলা হয়েছে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতে পারবেন না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে যুক্তিসঙ্গত কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে অনুপস্থিত কর্মচারীর প্রতিদিনের অনুপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে। বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগের অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়েছে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী অফিস চলাকালীন অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে এরূপ প্রতিক্ষেত্রের জন্য মুক্ত কর্মচারীর একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে।

তবে জরুরি প্রয়োজনে, কোনো সহকর্মীকে অবগত করে অফিস ত্যাগ করা যাবে। এই বিধিমালার তফসিল অনুযায়ী সংরক্ষিত রেজিস্টারের এরূপ অবস্থানের কারণ সময় এতে উল্লেখ করতে হবে।

বিলম্বে কর্মস্থলে উপস্থিতির বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে প্রতিদিনের বিলম্বে উপস্থিতির জন্য একদিনের সমপরিমাণ মূল বেতনের অর্থ কর্তন করতে পারবে।

আর অপরাধের পুনরাবৃত্তি দণ্ডে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী ৩০ দিনের মধ্যে একাধিকবার এসব অননুমোদিত কাজ করলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সর্বোচ্চ সাতদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তন করতে পারবে।

অপরাধ করলে দণ্ড পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে বিধিমালায়। এ বিষয়ে বলা হয়েছে- এসব অপরাধের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন কর্তন করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবেন।

পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হলে আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শুনানির জন্য যুক্তিসঙ্গত সময় দিয়ে হাতের সংশোধন বাতিল বা বহাল রাখতে পারবে।

পুনর্বিবেচনার আবেদনের ক্ষেত্রে শুনানির সংক্ষিপ্তসার, প্রাপ্ত তথ্য এবং সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে। দণ্ডের অর্থ কর্তন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের মাসিক বেতন থেকে কর্তন করে আদায় করতে হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026