1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত

উত্তর কোরিয়ায় ক্ষমতাসীন দলের কংগ্রেস শুরু, পারমাণবিক কর্মসূচির পরবর্তী ধাপের ইঙ্গিত

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দল ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়া একটি রাজনৈতিক কংগ্রেস শুরু করেছে। শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানায়। রাজধানী পিয়ং ইয়ং-এ আয়োজিত এই সম্মেলন থেকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির পরবর্তী ধাপ সংক্রান্ত নীতিগত ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে মূল ভাষণ দেন দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উন।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কংগ্রেসে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আবাসন নির্মাণ, প্রতিরক্ষা নীতি এবং সামরিক প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন কৌশলগত বিষয়ে পরবর্তী পাঁচ বছরের রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। দলীয় কংগ্রেস সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে রাষ্ট্রের সামগ্রিক নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ নীতিগত দিকনির্দেশনা বোঝার ক্ষেত্রে এই কংগ্রেস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

পিয়ং ইয়ংয়ের ‘হাউস অব কালচার’-এ আয়োজিত সম্মেলনে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা অংশ নিয়েছেন। পূর্ববর্তী সম্মেলনগুলোর মতো এবারের আয়োজনও আনুষ্ঠানিকতা ও সামরিক প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অতীতে কংগ্রেস শেষে সামরিক কুচকাওয়াজ ও নতুন অস্ত্রের প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

উদ্বোধনী ভাষণে কিম জং উন বলেন, ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ কংগ্রেসের পর দেশটি কঠিন সময় অতিক্রম করেছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, মহামারির প্রভাব এবং সীমান্ত বন্ধের কারণে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হলেও বর্তমান পর্যায়ে দেশ নতুন লক্ষ্য ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগোচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নকে দলের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন।

উত্তর কোরিয়া পূর্বে ঘোষণা দিয়েছিল যে, এবারের কংগ্রেসে পারমাণবিক সক্ষমতা আরও জোরদারের পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হবে। দেশটি সর্বশেষ পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ২০১৭ সালে। এরপর থেকে তারা দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ছোট আকারের পারমাণবিক ওয়ারহেড উন্নয়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ধারণা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে বহনযোগ্য ওয়ারহেড তৈরির সক্ষমতা অর্জন করলে উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।

পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তর কোরিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পশ্চিমা দেশের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘদিন ধরে বহাল রয়েছে। এসব নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সীমিত হয়ে পড়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে পিয়ং ইয়ংয়ের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো ইঙ্গিত করছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, কংগ্রেসে এসব সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরা হতে পারে।

উত্তর কোরিয়ার রাজনৈতিক কাঠামো অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত এবং তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় দেশটির দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত পরিকল্পনা সম্পর্কে সরাসরি তথ্য পাওয়া সীমিত। সে কারণে দলীয় কংগ্রেসকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকে। এই সম্মেলন থেকে ঘোষিত সিদ্ধান্তগুলো দেশটির অভ্যন্তরীণ নীতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক কূটনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026